Showing posts with label সংস্কৃতি. Show all posts
Showing posts with label সংস্কৃতি. Show all posts

Tuesday, March 31, 2020

ঘোল


অন্যকে না খাওয়ালেও নিজে বিস্তর ঘোল খাননি, এমন বাঙালি মেলা দুস্কর। অর্থাৎ বাঙালি মাত্রই ঘাটে ঘাটে ঘোল খেয়ে থাকেন।

আমাদের শৈশবে রূপকথার বইতেও দেখেছি, রাজা-রাজড়ার আমলে দুস্কৃতিকারীকে  জুতোর মালা পরিয়ে, উল্টো গাধায় বসিয়ে, মাথায় ঘোল ঢেলে রাজ্যের বাইরে বের করে দেওয়া হতো। ‘গুপি গাইন বাঘা বাইন’ ছবির শুরুতেও বেসুরো গান ও বেতাল ঢোলের জন্য গুপি-বাঘাকে ওইরূপ শাস্তি ভোগ করতে দেখা যাবে।

Sunday, April 29, 2018

সাংগ্রেং—সাগরপারের আদি রাখাইন উৎসব

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে সাগর পারের পর্যটন নগরী কক্সবাজার। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, টানা ১৫৫ কিলোমিটার (৯৬ মাইল) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এই সমুদ্রপাড় থেকে একইসঙ্গে বিস্ময়কর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়, যা এই বঙ্গোপসাগরের বালুকাভূমিকে দিয়েছে অনন্য বৈশিষ্ট্য। প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের নাম এখন বিশ্ব পর্যটনের ভূচিত্রে খুবই উজ্জ্বল নক্ষত্র।

Tuesday, October 17, 2017

রংচুগালা: বিপন্ন আদিবাসী উৎসব



[ওই ছ্যাড়া তুই কই যাস, কালা গেঞ্জি গতরে?/ছেমড়ি তুই চিন্তা করিস না, আয়া পড়ুম দুপুরে/ হা রে রে, হা রে রে, হা রে রে…ভাবানুবাদ, গারো লোকসংগীত “রে রে”।]
কিছুদিন আগে গারো (মান্দি) আদিবাসী লেখক সঞ্জিব দ্রং আলাপচারিতায় জানাচ্ছিলেন, প্রায় ১২৫ বছর আগে গারোরা আদি ধর্ম প্রকৃতিপূজা (সাংসারেক) ছেড়ে দলে দলে খ্রিস্টান হতে শুরু করেন। সে সময় গারোদের হাজার বছরের প্রাচীন সাংসারেক ধর্মটি বিপন্ন হয়ে পড়ে, একই সঙ্গে গারোদের ধর্মীয় ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক নানা উৎসবও পড়ে হুমকির মুখে।

Thursday, August 6, 2015

‘বাতিক ছিল বলিয়া কেবল লিখিতেছি’


বিপ্লব রহমান, ঢাকা: ‘নিতান্তই লিখিবার বাতিক ছিল বলিয়া শিশুকাল হইতে কেবল লিখিতেছি।’ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক বাক্যে নিজের সাহিত্য চর্চা সম্পর্কে এমনই কথা লিখেছিলেন ১৩০৭ সালের ২৮ ভাদ্র তার এক চিঠিতে। ২০০৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি নওগাঁর আত্রাইয়ের পতিসরে পাওয়া চিঠিটিই কবিগুরুর সর্বশেষ পত্র।

ছয় পাতার সম্বোধনবিহীন এ চিঠিতে কবিগুরু তুলে ধরেন নিজের জীবন ও কর্ম। চিঠিটি কবি কাকে লিখেছিলেন সেটি রবীন্দ্র গবেষকদের জন্য এখনো অনুসন্ধানের বিষয়।

Sunday, July 5, 2015

‘পাল্টে যাওয়া বিজ্ঞাপনে বিপদ আছে’

  
বিপ্লব রহমান, ঢাকা: কেমন হবে বিজ্ঞাপনের ভাষা, তা নিয়ে যেন আলোচনার অন্ত নেই। প্রতিদিন টেলিভশনে, সংবাদপত্রে অথবা নগরীর বিশালাকায় বিলবোর্ডে যেসব ভাষায় বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়, তার অনেকগুলো উদ্রেক করে বিরক্তির। এসব বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হয় যেসব চটুল ভাষা, তাতে শিক্ষণীয় তেমন কিছু থাকে না। পণ্য বিক্রির জন্য আমরা কি মেনে নেবো এসব চটুলতা? নাকি আমরা এসব অপশব্দের ব্যবহার স্বাভাবিকভাবেই দেখবো?

Saturday, July 4, 2015

ছবি নিয়ে ফের আলোচনায় সিপি গ্যাং

 
বিপ্লব রহমান, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকনের সঙ্গে ছবি তুলে ফের আলোচনায় এসেছে বিতর্কিত অনলাইন গ্রুপ সিপি গ্যাং। তবে আশরাফুল আলম খোকন এই গ্রুপটির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন।

Thursday, May 21, 2015

গণসংগীত :: ক্ষুদ্রজাতির ব্যান্ড ‘মাদল’


‘কর্ণফুলীর কান্না, মধুপুরে মিশে গেছে, চলেশ রিছিলের তাজা রক্তে....’- এমনই শাণিত কথামালা আর তাতে আরোপ করা সুরের ঝংকার নিয়ে পাহাড় থেকে সমতলে ছুটে বেড়াচ্ছে ‘মাদল’। যেখানেই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ওপর জুলুম চলে, সেখানেই সংগ্রামী গণসংগীত নিয়ে হাজির হয় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর এই গানের দলের তরুণরা। ‘জেগে উঠুক মানবতার জয়োগান’- এই হচ্ছে তাদের আহ্বান। আলাপচারিতায় তাদের অভিব্যক্তি, ‘গানই আমাদের সংগ্রামের হাতিয়ার। পাশাপাশি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে আমরা দেখাতে চাই নতুন দিনের স্বপ্ন।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভিনব এ গানের দলে রয়েছেন ভিন্ন ভাষাভাষী চাকমা, গারো, মারমা, বম ও সিং জাতিগোষ্ঠীর শিল্পীরা। বাংলা ভাষার পাশাপাশি তাঁরা নিজস্ব জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী গানও পরিবেশন করেন। মাদলের শিল্পীরা এখন উদ্যোগ নিয়েছেন হারিয়ে যেতে বসা আদিম সুরের গানগুলো সংগ্রহের। পরে তাঁরা এগুলো আধুনিক বাদ্যযন্ত্রে নতুন করে পরিবেশন করবেন। বলা ভালো, দেশে এ ধরনের গানের দল এটিই প্রথম। তবে বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর রয়েছে নিজ নিজ ভাষার অসংখ্য গানের দল। 


Thursday, April 9, 2015

ফুল: 'নন্দিনী' আসছে


এতোটা বয়স পেরিয়ে এলাম, তবু কি জানলাম, চড়ুইয়ের ঠোঁটে কেন এতো তৃষ্ণা? কীট বুকে নিয়ে গোলাপ, কতোটা গোলাপ?' বেদনাহত কবি আবুল হাসানের কাছে এমনিভাবে ধরা দিয়েছিল সুরভিত গোলাপ। তবে এখন বাহারি গোলাপ, রজনীগন্ধা বা গাঁদা ফুলের একচেটিয়া আদর কাড়ার দিন বুঝি শেষ হতে চলেছে। পাশাপাশি নানা জাতের বিদেশি ফুল দখল করে নিচ্ছে ফুলদানি, গৃহকোণ ও উৎসব প্রাঙ্গণ। এমনই একটি নতুন ধরনের বিদেশি ফুলের জাত 'নন্দিনী'। শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ উদ্ভাবিত এই ফুল শিগগিরই বাজারে মিলবে আপন মহিমায়। আর রবীন্দ্রনাথের 'রক্তকরবী' নাটকের নায়িকার নামে নামকরণ করা নান্দনিক ফুলটি বাজারে থাকবে বছরজুড়ে। শিগগিরই বাণিজ্যিকভাবে ফুলটি চাষের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Tuesday, April 7, 2015

জুম্মল্যান্ড রেডিও:: ক্ষুদ্র জাতির বেতার


পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি (জুম্ম) জনগোষ্ঠীর গান, কবিতা, কথামালা, সুখ-দুঃখ নিয়ে এই প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে বেসরকারি বেতার 'জুম্মল্যান্ড রেডিও'। এটি পাহাড়ের ১৩টি ক্ষুদ্র ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী তো বটেই, সারা বাংলাদেশের ৭৫টি ক্ষুদ্র জাতিরই প্রথম বেসরকারি বেতার। অনলাইন বেতারটির ওয়েব ঠিকানা : জুম্মল্যান্ডরেডিওডটকাস্টারডটএফএম (jumlandradio.caster.fm)।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরীক্ষামূলকভাবে সম্প্রতি চালু হওয়া এই বেতারে আপাতত চাকমা ভাষার গান প্রচারিত হচ্ছে। পরে বিভিন্ন ভাষার গান প্রচারের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই অনলাইন বেতারের উদ্যোক্তা রাঙামাটির একদল তরুণ। তবে তারা গণমাধ্যমে নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে আগ্রহী নয়।

Thursday, April 2, 2015

ঐতিহ্য: বংশীতীরে নৌকার জাদুঘর


সাত সমুদ্দুর তেরো নদী' পাড়ি দিয়ে দেশ-বিদেশের বণিকরা যুগে যুগে জাহাজ ভিড়িয়েছেন সোনার বাংলার ঘাটে ঘাটে। পাল তোলা অসংখ্য নৌকায় সারা পৃথিবীর সঙ্গে স্থাপিত হয়েছিল সে সময়কার বাণিজ্যিক সম্পর্ক। বাংলার পাট, হিরে-জহরত আর ঐতিহ্যবাহী মসলিন ও জামদানি নৌপথেই জয় করেছিল বিশ্ববাজার। গহনা, বজরা, ছিপ, পানসি, কোষা, ডিঙি, সাম্পান- কত সব বাহারি নামের বিচিত্র ধরনের নৌকাই না তখন ভেসে বেড়াত নদীর বুকে। রূপকথার মতোই বিস্ময়কর প্রাচীন বাংলার এই গৌরবগাথা। সে সব অবশ্য আজ কেবলই ধূলি ধূসরিত অতীত।

Monday, March 16, 2015

অবহেলায় ম্রিয়মাণ বলধা গার্ডেন


কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পুরান ঢাকার ওয়ারীর বলধা গার্ডেনের দোতলা 'জয় হাউস' নামক অতিথিশালায় কাটিয়েছিলেন দুদণ্ড সময়। বাগানের 'শঙ্খ পুকুরের' কাকচক্ষুর মতো টলটলে জল তাঁর মন জয় করেছিল। আর দুর্লভ ক্যামেলিয়া ফুলের অপার সৌন্দর্য কবিকে করেছিল বিমোহিত। 'জয় হাউসে' বসেই কবি লিখেছিলেন বিখ্যাত কবিতা 'ক্যামেলিয়া'। তবে সেসবই আজ ধূসর অতীত। অতি দর্শনার্থী আর সুউচ্চ অট্টালিকার দাপটে বিরল গাছপালার বাগানটি এখন হুমকির মুখে।

Thursday, August 8, 2013

আদিবাসী নিয়ে ভুলে ভরা পাঠ্য বই

গারোরা বাঙালিদের মতো স্বাভাবিক খাবারই খায়। খাসিরা বাবাকে দেবতা মনে করে পূজা করে। ছেলেরা পরে পকেট ছাড়া জামা ও লুঙ্গি। ম্রোরা সাধারণত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। পুরুষরা সাদা খাটো কাপড় পরে। তাদের অন্যতম সুস্বাদু খাবারের নাম 'নাপ্পি'। ত্রিপুরাদের ঘর সাধারণত চাকমা ও মারমাদের তুলনায় উঁচু। ত্রিপুরা শিশুরা 'খিলা' (গিলা) নামের বিচি দিয়ে খেলতে ভালোবাসে। গারো ও খাসিদের নিজস্ব বর্ণমালা নেই।

Tuesday, April 24, 2012

খাসিয়া পাহাড় চিত্র।। ফটো ব্লগ।।

খাসি বা খাসিয়া আদিবাসী জীবন পান চাষ নির্ভর। শ্রীমঙ্গলের আসাম সীমান্তের খাসি-হিলে দেখা মেলে এমন নিবিড় পান জুমের। খাসিয়া গ্রাম বা পুঞ্জিগুলো পাহাড়ের ওপর অরণ্য ঘেরা। এই প্রাকৃতিক অরণ্যই খাসিয়াদের জীবন। সেখানের বড় গাছগুলোকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠে পান লতা। সমতলের পান চাষের চেয়ে খাসিয়া পান চাষ তাই ভিন্ন প্রকৃতির। এই পদ্ধতির পান চাষকে বলে 'পান জুম'। পান জুমের পাতাগুলো আকারে ছোট, এগুলো বেশ ঝাঁঝালো স্বাদের। দেশ-বিদেশে পান-প্রিয়দের কাছে খাসিয়া পান পাতার বিশেষ কদর রয়েছে।

Monday, May 19, 2008

উভ

০১. তীব্র তাপহাদের ভেতর নাগরিক কোলাহলমুক্ত হিম হিম ঠাণ্ডা একটি ঘর। এক দিকের দেয়াল জুড়ে সার সার টেলিভিশন, সব ক'টিতে এক সঙ্গে দেশি-বিদেশি সংবাদ প্রচার হচ্ছে। আরেক দিকে এইচপি কম্পিউটারে মুহূর্তে টাইপ হচ্ছে দারুন সব তাজা খবর। 

এরপর নিউজ স্ক্রিপ্টগুলো ঠিকঠাক করে অবিশ্বাস্য দ্রুততায় উভ (আউট অব ভিশন) বা ফুটেজ আর কমেন্ট/বাইটসহ উভ-সিংক বা প্যাকেজ তৈরি করা।...

রানডাউন...ঘড়ির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সংবাদক্রম সাজানো, স্টেশন পলিসি নিয়ে দৌড়ঝাঁপ। একেবারে শেষ সময়ে অন এয়ারে ধরিয়ে দেওয়া তারকা সাংবাদিকের ব্রেকিং বা হার্ট ব্রেকিং নিউজ। ...রান, রান অ্যান্ড রান।...