Showing posts with label যুদ্ধাপরাধ. Show all posts
Showing posts with label যুদ্ধাপরাধ. Show all posts

Friday, December 25, 2020

লাকিংমে বরং সৎকারহীনই থাক!



 [যতোই হামলা করো, সব সামলে নেব/ চ্যালেঞ্জ করছি তোমায়, যদি মারতে পারো…]

কিশোরী পাহাড়ি মেয়ে লাকিংমে চাকমা প্রথমে অপহৃত, পরে ধর্মান্তরিত, বিবাহিত নিহত হয়েছে, স্যোশাল মিডিয়ায় খবর ভাইরাল না হলেও, যারাই বাংলাদেশের পাহাড় সমতলের আদিবাসীর খোঁজ-খবর রাখেন, তাদের কাছে খবর কিছুটা পুরনো

তবে বিস্ময়কর, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৪ বছরের মেয়েটির লাশ এখনো মালিকানা বিতর্কে কক্সবাজারের মর্গে অন্তত দুই সপ্তাহ ধরে পঁচছে, আদালতও মৃতদেহ সৎকারের সুরাহা করতে পারেনি

Saturday, March 26, 2016

বেতারে ‘অপারেশন সার্চলাইট’

বিপ্লব রহমান, ঢাকা: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কারফিউ জারি করে বিদ্রোহ দমন করার নামে যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, এর সামরিক অভিধা ছিল— ‘অপারেশন সার্চলাইট’।

এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে মুক্তিকামী বাঙালি জনতার স্বাধীনতার সংগ্রামকে মেশিনগানের গুলিতে স্তব্ধ করে দেয়ার ঘৃণ্য প্রচেষ্টা। পাশাপাশি মুক্তিকামী বাঙালি জনতার প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধও হয়েছিল ওই রাতে।

Monday, July 15, 2013

সূর্য তুমি নিভে যাও!



ছয় মাস পরের সম্ভাব্য কাল্পনিক দৃশ্য: জামাতের মুকুটহীন সম্রাট গোলাম আজম “ভি” চিহ্ন দেখিয়ে জেল গেট থেকে বের হলেন। মুখে মৃদু হাসি, নূরানী চেহারা, সফেদ দাড়িতে জেল্লা ছড়ায় চারপাশ। ভোর রাত থেকে “তাওহিদী জনতা” ব্যানারে অপেক্ষমান জামাত-শিবিরের কর্মীরা তাকে দেখামাত্র উল্লাসে ফেটে পড়েন। আকাশ বিদীর্ণ করে শ্লোগান ওঠে –”নারায়ে তাকবির! জেলের তালা ভেঙেছি, গোলাম আজমকে এনেছি!”

Thursday, June 27, 2013

অভিনন্দন আসিফ। কুপমণ্ডুকতা নিপাত যাক।।

সহব্লগার ও অন লাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মহিউদ্দীন অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এ জন্য তাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আবারো আসিফ মুক্তচিন্তা ও শুভবুদ্ধির পক্ষে অবিরাম লিখে যাবেন; নিঃশঙ্ক চিত্তে ফিরে আসবেন ব্লগিং জগতে এটিই কাম্য।

তার অনেক লেখাই হয়তো অনেকে পছন্দ না-ও করতে পারেন, কিংবা তার অনেক লেখার সঙ্গে হয়তো দ্বিমত পোষণ করার সুযোগও রয়েছে। কিন্তু লেখার জবাব লেখা দিয়েই হতে হবে, কারাবন্দিত্ব কখনোই লেখনির জবাব হতে পারে না। তাছাড়া কোনও সভ্যদেশের আদালত নির্ধারণ করে দেবে, অমুকে আস্তিক বা তমুকে নাস্তিক, কোনমতেই এটি মেনে নেওয়া যায় না।

Friday, June 7, 2013

আমাদের সময়ের নায়কেরা- ০৩


লেখাপড়া করে যে…আটের দশকে আমরা যখন স্কুলের উঁচু ক্লাসের ছাত্র, তখন সাদাকালো দৈনিক পত্রিকার একটি সচিত্র সংবাদ আমাদের বৈকালিক আড্ডার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। আমরা ইত্তেফাকের সাধুভাষার খবরটি থেকে জানতে পাই, নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া তো বটেই, এমনকি শিল্প বিষয়ক সব ধরণের ডিগ্রি বাদেই ‘রাশা’ নামের ঝাঁকড়া চুলের প্রায় নিরক্ষর এক যুবক ভাস্কর্য শিল্পে এশিয়ার মধ্যে গোল্ড মেডেল অর্জন করেছে!

Thursday, March 28, 2013

বাংলা ব্লগের ওপর খড়গহস্ত বিটিআরসি

০১. ফেসবুক, ইউটিউব-এর পর এবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-- বিটিআরসি'র খড়গ নেমে এসেছে বাংলা ব্লগের ওপর। শীর্ষ স্থানীয় ব্লগ সাইটগুলোর ওপর সরকারি এ হস্তক্ষেপে ব্লগে ব্লগে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষোভ। এ নিয়ে ব্লগ সাইটগুলোতে লেখা হচ্ছে অসংখ্য প্রতিবাদী নোট। ব্লগাররা সরকারি খবরদারিকে মুক্ত চিন্তা ও স্বাধীন মত প্রকাশের ওপর হস্তক্ষেপ বলেই মনে করছেন। বিটিআরসি'র পক্ষ থেকে ব্লগারদের ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি কিছু 'আপত্তিকর পোস্ট' সরিয়ে ফেলার নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলা ব্লগে এ অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

Monday, March 4, 2013

মুখ ও মুখোশ…


দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারো দয়ায় পাওয়া নয়

ছাত্র অবস্থায় আপনার কবিতা পড়ে আমরা মুগ্ধ হয়েছিলাম। সদ্য যুদ্ধ ফেরৎ কবি, আপনি ১৯৭১ এর বারুদের সৌরভ ছড়িয়ে লিখেছিলেন:

আমাকে তুমি দাঁড় করিয়ে দিয়েছো বিপ্লবের সামনে
আমাকে তুমি দাঁড় করিয়ে দিয়েছো ইতিহাসের সামনে
হাতে দিয়েছো স্টেনগান
আঙ্গুল ভর্তি ট্রিগার
এখন আমার আর ফেরার কোনো পথ নেই…

Tuesday, February 26, 2013

জেগে থাকে শাহবাগ, জেগে থাকে বাংলা!


আমাদের ধমনীতে শহীদের রক্ত/ এই রক্ত কোনোদিন/পরাভব মানে না…
০১.শাহবাগের মোড়– প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনটি একটি বারুদের স্তুপে স্ফুলিংগ সংযোগ সূচনায় গড়ে ওঠা ছাত্র-জনতার আন্দোলন । সেখান থেকে গণজাগরণ, গণ বিস্ফোরণটি ঘটে। প্রথমদিকে আন্দোলনটি শুধু কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে গড়ে ওঠে। ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট তরুণদের আহ্বানে খুব শিগগিরই এতে ব্যপক সাড়া মেলে; কারণ সচেতন নাগরিকরা কাদের মোল্লার মতো চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী, শীর্ষ জামাত নেতার শুধু যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় মেনে নিতে পারেননি। 

Sunday, February 10, 2013

স্লোগান-কন্যা লাকী:: একাত্তরই আমার প্রেরণা


ছোটখাটো গড়নের শ্যামলবরণ মেয়েটির নাম লাকী। পুরো নাম লাকী আক্তার। অবিরাম নানা সংগ্রামী স্লোগানে মাতিয়ে রাখেন শাহবাগের 'স্বাধীনতা প্রজন্ম চত্বর'। এরই মধ্যে 'স্লোগান-কন্যা' হিসেবে তাঁর নাম রটে গেছে। মাইক্রোফোন হাতে খেপা বাউলের মতো নেচে নেচে স্লোগান দেন লাকী। তাঁর স্লোগানেই টানা পাঁচ দিন ধরে প্রদীপ্ত তারুণ্যের চেতনার মশাল। জোরালো কণ্ঠে জ্বালাময়ী এত সব স্লোগান আসে কোথা থেকে?
লাকী বলেন, '১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আর অপ্রাপ্তির যন্ত্রণা আমি ঢেলে দিই স্লোগানে। '৭১ থেকেই প্রেরণা পাই। ছাত্র-জনতাই আমার স্লোগানের শক্তি।'

Saturday, March 24, 2012

অপারেশন সার্চলাইট: পাক সামরিক জান্তার বেতার বার্তা


১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় কারফিউ জারি করে মধ্যরাতে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়, তার আনুষ্ঠানিক নাম ছিলো 'অপারেশন সার্চলাইট'। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলনকে হত্যাযজ্ঞে স্তব্ধ করে দেওয়ার এক নীলনকশা।

Thursday, March 25, 2010

বেতারে খুনিরা যা বলেছিল

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কারফিউ জারি করে মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনারা পুরো ঢাকায় যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়, তার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল 'অপারেশন সার্চলাইট'। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলনকে চিরতরে বুলেটে স্তব্ধ করে দেওয়ার নীলনকশা।

ঢাকার খিলগাঁওয়ের চৌধুরীপাড়ার বাসায় বসে সেদিন রাত দেড়টা থেকে পরদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনাদের বেতারবার্তা রেকর্ড করেছিলেন আণবিক শক্তি কেন্দ্রের পদার্থবিজ্ঞানবিদ ড. এম এম হোসাইন। তাঁর রেকর্ডকৃত বেতারবার্তার স্ক্রিপ্টে দেখা যায় পাকিস্তানি সেনাদের বেশ কিছু সামরিক সংকেত ব্যবহার করতে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও পিলখানায় অপারেশনের দায়িত্বে থাকা ইউনিটগুলোর কথোপকথনের ধারাভাষ্য থেকে বাঙালি নিধনের খণ্ডচিত্র ফুটে ওঠে। একই সঙ্গে মূর্ত হয় প্রতিরোধের লড়াইও।

'চোখের সামনেই ওরা গুলি করে বাবা মা ভাই বৌদিকে'


বায়ান্ন, একাত্তর, নব্বইসহ বাংলাদেশের প্রতিটি গণ-আন্দোলনের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সদা হাস্যোজ্জ্বল, সবার প্রিয় মধুদাকে (মধুসূদন দে) পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ভোরে ছোট ছোট ছেলেমেয়ের সামনে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। একই সঙ্গে তারা গুলি করে হত্যা করে মধুদা'র স্ত্রী যোগমায়া দে, তাঁর বড় ছেলে রঞ্জিত কুমার দে ও পুত্রবধূ রীনা রানী দে'কে। এই চার-চারটি হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী মধুর ক্যান্টিনের বর্তমান পরিচালক ও শহীদ মধুদার ছোট ছেলে অরুণ কুমার দে। দৈনিক কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপচারিতায় সে সময়ের ১০ বছরের শিশু অরুণ জানাচ্ছেন সেই নির্মম অভিজ্ঞতার কথা।

Wednesday, February 20, 2008

তোমাদের যা বলার ছিলো, বলেছে কি তা বাংলাদেশ?


এক। প্রজন্ম '৭১ এর সাইদুর রহমানের সঙ্গে আমার পরিচয় সাংবাদিকতার শুরুতে সেই ১৯৯২ - ৯৩ সালের দিকে। তখনও রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে বর্তমান শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধটি গড়ে ওঠেনি। তবে সে সময় প্রজন্ম '৭১ নিজ উদ্যোগে একটি ছোট্ট স্মৃতিসৌধ গড়ে সেখানেই প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে আসছিলো। সরকারের কাছে এ নিয়ে তারা অনেক ধর্ণা দিয়েও সরকার পক্ষকে উদ্যোগি করতে পারেননি।

Monday, December 10, 2007

আজম খানের মুক্তিযুদ্ধ




[প্রয়াত পপসম্রাট ও মুক্তিযোদ্ধা আজম খান। অনেকে তার মুক্তিযুদ্ধটিকে 'একাত্তরের বেহাত বিপ্লব' হিসেবে চিহ্নিত করতে চান। আসলে কী তাই? কেমন ছিলো, এই শিল্পীর রণাঙ্গনের দিনগুলো? কী ছিলো তার দেশচিন্তা? যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশকেই বা কীভাবে দেখেছিলেন এই মুক্তিযোদ্ধা? দেশ ও সঙ্গীত নিয়ে কী ছিলো তার চিন্তা-ভাবনা? ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর একটি বার্তা সংস্থার প্রতিনিধি হিসেবে এই লেখককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আজম খান বলেছিলেন সেসব কথা। এরইভিত্তিতে চলতি স্মৃতিকথাটি লেখা হচ্ছে।]