Tuesday, July 22, 2014

‌'How many times will displace?’

BIPLOB RAHMAN
Translated by Pavel Partha

In 1960 for the establishment of Kaptai hydroelectric dam we placed first from our ancestral land after in 1989 displaced by army. And now newly established BGB (Border Guard Bangladesh) camp is evicting us in the third round. What is our fault? And how many times we have to be evicted? ‘Said elderly Indigenous Chakma woman Ananda Bala Chakma with cry, displaced from her village for new BGB camp. 

Wednesday, July 2, 2014

'আর কতবার উচ্ছেদ হব?'

বিপ্লব রহমান, বাবুছড়া (দীঘিনালা) থেকে ফিরে
'১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধ আর ১৯৮৯ সালে শান্তিবাহিনী-সেনাবাহিনীর সশস্ত্র যুদ্ধের কারণে দুই দফা ছাড়তে হয়েছিল ভিটামাটি। আর এখন বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) ছাউনি করবে বলে তৃতীয় দফা আমাদের উচ্ছেদ করা হলো। আমাদের কি অপরাধ? আর কতবার উচ্ছেদ হব আমরা?' ভাঙা বাংলায় কথাগুলো বলতে বলতে গামছা দিয়ে চোখ মুছছিলেন বয়োবৃদ্ধ পাহাড়ি নারী আনন্দ বালা চাকমা।

Thursday, May 29, 2014

রাঙাবেল: ই-বুক:: রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে...

রাঙাবেল: ই-বুক:: রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে...: রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে লেখক: বিপ্লব রহমান প্রচ্ছদ: আহমেদ অরূপ কামাল দাম: ৮০ টাকা প্রকাশক: পাঠসুত্র পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫০

Thursday, May 8, 2014

রবীন্দ্রনাথ গায়েব শাহজাদপুরে


বিপ্লব রহমান ও আতাউর রহমান পিন্টু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে ফিরে:সরকারি নথিপত্র থেকে বেমালুম গায়েব কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশাল পৈতৃক জমিদারি শাহজাদপুর তথা শাহজাদপুর ডিহি। একই সঙ্গে পুরোপুরি বেহাত হয়ে গেছে জমিদারির সম্পত্তি। সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেল, ঠাকুর পরিবারের নামে এখন শাহজাদপুরের রবীন্দ্র কাছারিবাড়িটুকুই শুধু প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের রেকর্ডভুক্ত। বাকি জমির অধিকাংশই নানা ব্যক্তির কবজায় চলে গেছে। জমির মালিকানা নিয়ে মামলা-মোকদ্দমাও রয়েছে বিস্তর।

Monday, April 21, 2014

টিনটিন অপহরণ ও "সাজানো নাটক" শোরগোল

০১. পাহাড়ের সংগীত শিল্পী সৌরভ চাকমা টিনটিন ও তার বন্ধু রিকি চাকমা অপহরণকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি আদিবাসী বন্ধুদের কোনো কোনো মহল একে "সাজানো নাটক" বলে চিহ্নিত করতে এখন খুবই তৎপর। এ নিয়ে ফেসবুক, ব্লগ ও টুইটুারে মহলটি জোর শোরগোল তুলেছে। 

এই কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে, সিএইচটি টোয়েন্টিফোর ডটকম- নামে আধুনা গজিয়ে ওঠা একটি নিউজ পোর্টাল ।
[http://www.cht24.com/19/04/2014/8128#.U1O4dyfIbFw]


Monday, March 31, 2014

পাহাড়ে বিপন্ন জনপদ~


আনুমানিক ২৫ হাজার পাহাড়ি-বাঙালির রক্তের বিনিময়ে সাক্ষরিত শান্তিচুক্তিতেও কী শান্তি হয়েছে পাহাড়ে? তাহলে ক্রেওক্রাডং-এর দুর্গম পাহাড়ে কেন এখনো নিরব দুর্ভিক্ষের হাহাকার? শান্তিচুক্তির পরেও কেন সেখানে সেনা বাহিনী ‘অপারেশন দাবানলের’ পর চালাচ্ছে ‘অপারেশন উত্তোরণ’? তাহলে কি অস্ত্রের ঝনঝনানি থামেনি? পাহাড়ে অভিবাসিত বাঙালি সেটেলাররা কি দৃষ্টিতে দেখেন সাধারণ পাহাড়িদের? এই বৈরি সর্ম্পকের শেকড় কোথায়? কোথায় আজ কল্পনা চাকমা? শান্তিচুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে ‘সন্তুস’, ‘গন্ডুস’ ও ‘ফাল্তুস’ নামের পাহাড়িদের সশস্ত্র সংঘাতেরই বা শেষ কোথায়? কেনোই বা অধরা বহুল কাঙ্খিত শান্তি?

প্রায় দুই দশকের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এইসব নানান বিষয়ে ২০০৯ সালের লিখেছিলাম ছোট্ট একটি বই- রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে

Friday, February 21, 2014

আদিবাসী শিশু পড়বে নিজ ভাষাতেই

একুশের সংবাদ: আদিবাসী শিশু পড়বে নিজ ভাষাতেই
by Biplob Rahaman for AlalODulal.org  

কিছুদিন আগে বিশিষ্ট আদিবাসী গবেষক, চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের সঙ্গে আলাপ-চারিতা হচ্ছিল আদিবাসী শিশুর মাতৃভাষায় লেখাপড়ার বিষয়ে। তিনি জানালেন, পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সমতলের চেয়ে পাহাড়ে প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার অনেক বেশী। এর একটি প্রধান কারণ, শিশু শিক্ষায় ভাষাগত বাধা। তবে এ বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি জরিপ চালানো হয়নি বলে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন।

Monday, February 17, 2014

একুশের সংবাদ: মুনীর অপটিমা থেকে অভ্র


শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে উদ্ভাবন করেন ‘মুনীর অপটিমা’ টাইপরাইটার। ছাপাখানার বাইরে সেই প্রথম প্রযুক্তির সূত্রে বাংলা পেল নতুন গতি। স্বাধীনতার পর ইলেকট্রনিক টাইপরাইটারেও যুক্ত হয় বাংলা। পরে আটের দশকে ‘বিজয়’ সফটওয়্যার ব্যবহার করে সম্ভব হয় কম্পিউটারেই বাংলা লেখা। আর ২০০৩ সালের ২৬ মার্চ মুক্ত সফটওয়্যার ‘অভ্র’ উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এক নবযাত্রা।

আন্তর্জাতিক বর্ণ সংকেতায়ন বা ইউনিকোডে বাংলা বর্ণলিপি যুক্ত হওয়ায় ‘অভ্র’ ফন্টে সম্ভব হয় ইন্টারনেটে বাংলায় লেখালেখিসহ বাংলায় ওয়েবসাইট নির্মাণ। একই সঙ্গে অফলাইনে বাংলার প্রসার বাড়ে এই সফটওয়্যারে। কম্পিউটারে বাংলা লেখার সুযোগ সৃষ্টি মুদ্রনশিল্পেও এনেছে অভাবনীয় পরিবর্তন।

‘অভ্র’ উদ্ভাবন করেন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান খান। মেহেদী, রিফাতুন্নবি, তানভিন ইসলাম সিয়াম, রাইয়ান কামাল, শাবাব মুস্তফা, নিপুণ হক- এই কয়েক বন্ধু সেই থেকে ‘অভ্র’র উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে কাজ করছেন। ‘ভাষা হোক উন্মুক্ত’- এই স্লোগানে ‘অভ্র’র সম্মুখযাত্রা শুরু। এর সমস্ত সংস্করণ ওয়েবসাইট [omicronlab.com] থেকে বিনা মূল্যে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়। ব্যবহারকারীর সুযোগ রয়েছে অভ্র, প্রভাত বা ফনেটিক কি-বোর্ড বাছাই করার। এমনকি যিনি কম্পিউটারে বাংলা লিখতে অভ্যস্ত নন, তিনিও অন্তত কিছু বাক্য ‘অভ্র’তে লিখতে পারবেন ডিজিটাল কি-বোর্ড থেকে মাউস দিয়ে।

Saturday, February 15, 2014

একুশের সংবাদ: ক্ষুদ্রজাতির ভাষায় বিশ্বকোষ


বাঙালি ছাড়াও এ দেশে বংশপরম্পরায় বসবাস করছে প্রায় ৭০টি ক্ষুদ্রজাতির প্রায় ২৫ লাখ মানুষ। তাদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও ঐতিহ্য। নিজ নিজ কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে তারাও সমান অংশীদার। একুশের গৌরবের পথচলায় বাংলা ভাষা ছাড়াও ক্ষুদ্রজাতির নিজস্ব ভাষাতেই হচ্ছে লেখাপড়া, সাহিত্য নির্মাণ, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চা। আর এখন ইন্টারনেটভিত্তিক মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া [wikipedia.org], সংক্ষেপে উইকিতে যোগ হয়েছে ক্ষুদ্রজাতির ভাষা। সমগ্র উইকিপিডিয়ার মোট ২৮৫টি ভাষার মধ্যে বাংলা ভাষার পাশাপাশি স্থান করে নিয়েছে এ দেশের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি, সাঁওতালি ও চাকমা ভাষা। তবে এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে সাঁওতালি ও চাকমা ভাষার উইকিপিডিয়া নির্মাণ উদ্যোগ।

নির্মাতাদের সূত্রে জানা গেছে, উইকিপিডিয়া হলো জনমানুষের হাতে তৈরি সাধারণের জন্য লেখা বিশ্বকোষ। বাংলাদেশের ভাষাগুলোর মধ্যে বাংলা ছাড়া কেবল বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষায় রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ উইকি। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি উইকি নির্মাণ শুরু হয় ২০০৬ সালে। পরের তিন বছর পর্যন্ত এর অগ্রগতি ছিল অনেকটাই সাবলীল। কাজটি একাই অনেকটা এগিয়ে নেন নিউ ইয়র্কপ্রবাসী উত্তম সিংহ। তবে স্বেচ্ছাশ্রমে সমষ্টিগত অবদানকারীর অভাবে ২০০৯ সাল থেকে ধীর হয়ে পড়ে এর কার্যক্রম।

Friday, February 14, 2014

একুশের সংবাদ: আলো ছড়াচ্ছে ভাষা শিক্ষার নিকেতন



ভাষার ওপর নিবিড় শিক্ষা ও উচ্চতর গবেষণায় জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে ‘আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষানিকেতন বিগত চার দশকে পরিণত হয়েছে বিদেশি ভাষা শিক্ষার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানে। নিয়মিত গবেষণাপত্র প্রকাশ, আলোচনা সভা ও স্মারক বক্তৃতার আয়োজন, সুবিশাল পাঠাগার, ছাত্রবৃত্তি প্রদানের মতো অর্জনও কম নয় প্রতিষ্ঠানটির।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে বাংলা ছাড়াও রয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, জাপানি, চীনা, আরবি, কোরিয়ান, ইতালিয়ান, ফারসি, রুশ, স্প্যানিশ ও টার্কিশ ভাষা শিক্ষার বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এখানে একেকটি কর্মসূচিতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিরা দূতাবাস, জাতিসংঘ মিশন, বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পেশায় রাখছেন মেধার স্বাক্ষর। তবে ইনস্টিটিউটের বাংলা ভাষা শিক্ষার কর্মসূচিটি কেবলই বিদেশিদের জন্য। অন্যসব কর্মসূচি অবশ্য সবার জন্যই উন্মুক্ত। ইনস্টিটিউটটি পরিচালিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।


১৩টি ভাষার যেকোনোটির ওপর প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের সেখান থেকে দেওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ। ভাষার ওপর উচ্চতর গবেষণার (এমফিল, পিএইচডি) সুযোগও রয়েছে এখানে। এ জন্য যে সনদটি দেওয়া হয় সেটিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিশ্বমানের এসব সনদ বহু বছর ধরে সমাদৃত হচ্ছে সর্বত্র। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার সনদটি ব্রিটিশ কাউন্সিল সমমানের।