Showing posts with label দিনপঞ্জী. Show all posts
Showing posts with label দিনপঞ্জী. Show all posts

Tuesday, April 19, 2022

শিরোনামহীন

 


ইট-কাঠ-পাথরের ব্যস্ত এই পাষাণপুরী যেন প্রতি সন্ধ্যায়  ইফতারের সময় খনিকের জন্য থমকে যায়, থেমে যায় সব নাগরিক কোলাহল, যানবাহনের দিকশূন্য গতি ও ব্যস্ততার প্রতিযোগিতা। কংক্রিট অরণ্য এ-শহর তখন যেন দম ফিরে পেতে খানিকটা জিরিয়ে নেয়, আগের অহেতুক ভোগবাদীতায় আবারও ফিরে যেতে নিতে থাকে প্রস্তুতি। 

Friday, November 5, 2021

চলে যাওয়া মানেই প্রস্থান নয়~






সে দিন সন্ধ্যায় ( ৩ নভেম্বর) আমার ছোট খালা, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ এলিজা সিরাজী (ডাক নাম মঞ্জু), দীর্ঘ রোগে শোকে ভুগে সিরাজগঞ্জে হাসপাতালে মারা গিয়েছেন।

Tuesday, September 21, 2021

রাঙামাটি এক্সপ্রেস…

বছর ছয়েক পরে রাঙামাটির পাহাড়ে ঝটিকা ভ্রমণ।

চিতার মতোই দলবিহীন বরাবর, অনেকটা সময় পাহাড়ে, বনে-বাদাড়ে, অশান্ত সময়ে সংবাদ সন্ধানে ছুটে চলা। সে এক রেসের ঘোড়ার জীবন।

এবার সঙ্গী ছোটবোন, স্কুল মাস্টার রূপা দত্ত। বান্দরবানের লামার পাহাড়ে ম্রো আদিবাসীর স্কুল ‘পাওমাং’ (ফুলের বাগান) করেছে। কয়েকমাস আগেই স্কুলটি দেখে মুগ্ধ।  

পাহাড় যাত্রায় ট্রেন-বাসের টিকিট পাওয়াই দুস্কর। লক ডাউন পেরিয়ে আম জনতা ছুটেছে দিক-বিদিক। অনেক কষ্টে শ্যামলীর নাইট কোচে কৌনিক ও বক্র অবস্থানে আসন।

Monday, September 7, 2020

তাসের ঘর : দুর্দান্ত স্বস্তিকায় নারীমুক্তি?

 


“হইচই” মুভি স্ট্রিমে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত “তাসের ঘর” বাংলা ছবিটি নিঃসন্দেহে আট-দশটা বাজারী ছবির ভীড়ে ব্যতিক্রম, একই সঙ্গে ষোল আনা বাঙালিয়ানা, আবার হলিউডি ধাঁচেরও, এর বিভাগ করা যেতে পারে, নাটকীয়, রহস্য, রোমাঞ্চ ইত্যাদি।

Saturday, March 2, 2019

হৃদয়ের শব্দহীন জোৎস্নার ভিতর...

এ কেমন রঙ্গযাদু?
ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্ক শপিং মলের আন্ডারগাউন্ড গিজগিজে মানুষইন্ডিয়ার ভিসা প্রার্থীদের দীর্ঘতর লাইন হাতে হাতে সবুজ পাসপোর্ট। লাইনে নানা বয়সী পুরুষেরাই শুধু। মেয়েরা এখানে সংখ্যালঘু, তাদের লাইন নাই। মেডিকেল ভিসা প্রার্থীদের আবার আলাদা খাতির। মোডে মোডে ওয়াকিটকি হাতে নিরাপত্তা রক্ষী। ব্যাগ ভেতরে যাবে না, ব্যাগ জমা দিয়ে টোকেন নিন‍  – নির্দেশ তাদের। বিশাল হল রুমে গোটা চল্লিশেক ডেস্ক। ওপাশে পেশাদার তরুণ-তরুণী। ভিসার ধরণ বুঝে টোকেন নিয়ে পাসপোর্ট জমা।  স্লিপ হাতে নিতে না নিতেই মোবাইলে টেক্সট-- ভারত সরকারের ভিসা প্রক্রিয়াধীন, অপেক্ষা করিতে হইবে – ইত্যাদি

Wednesday, July 25, 2018

শিরোনামহীন


তত্কালে লোকে বিজ্ঞাপন বলিতে বুঝাইতো সংবাদপত্রের ভেতরের পাতায় শ্রেণীবদ্ধ সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞাপন, এক কলাম এক ইঞ্চি, সাদা-কালো খোপে ৫০ শব্দে লিখিত-- পাত্র-পাত্রী, বাড়িভাড়া, ক্রয়-বিক্রয়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চলিতেছে (ঢাকাই ছবি), আসিতেছে (ঢাকাই ছবি), থিয়েটার (মঞ্চ নাটক, বেইলি রোড) -- ইত্যাদি।
আমরা যাহারা কচিকাঁচার দল, ইঁচড়ে পাকা বলিয়া খ্যাত, তাহাদের তখনো অক্ষরজ্ঞান হয় নাই। তাই বইপত্র গিলিবার কাল খানিকটা বিলম্বিত হইয়াছিল। মূদ্রিত বিজ্ঞাপনের বিজ্ঞানটুকু বয়ান করিব যথাসময়ে। ভূমিকাপর্বে সংক্ষিপ্ত বাল্যকাল পরম্পরা সারিয়া লই।

Saturday, June 23, 2018

আমার লেখা অনুবাদ করার সময় এসে গেছে – ছফা [পুনর্পাঠ]



[নয়ের দশকে ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে জেনারেল এরশাদ সরকারের পতন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সেই রক্তাক্ত আন্দোলনের শ্লোগানার, কমরেডের লাশ ও লিটল ম্যাগের ভুত মাথার ভেতর বয়ে বেড়ানোর কালে সাংবাদিকতার প্রথম পাঠে মুখোমুখি হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল কয়েক গুনিজনের। তারা ছিলেন আমাদের সময়ের নায়ক।

Sunday, April 29, 2018

সাংগ্রেং—সাগরপারের আদি রাখাইন উৎসব

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে সাগর পারের পর্যটন নগরী কক্সবাজার। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, টানা ১৫৫ কিলোমিটার (৯৬ মাইল) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এই সমুদ্রপাড় থেকে একইসঙ্গে বিস্ময়কর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়, যা এই বঙ্গোপসাগরের বালুকাভূমিকে দিয়েছে অনন্য বৈশিষ্ট্য। প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের নাম এখন বিশ্ব পর্যটনের ভূচিত্রে খুবই উজ্জ্বল নক্ষত্র।

Sunday, August 13, 2017

আমার বাবা আজিজ মেহের

আমার বাবা আজিজ মেহের (৮৬) সেদিন সকালে ঘুমের ভেতর হৃদরোগে মারা গেলেন।
সকাল সাড়ে আটটার দিকে (১০ আগস্ট) যখন টেলিফোনে খবরটি পাই, তখন আমি পাতলা আটার রুটি দিয়ে আলু-বরবটি ভাজির নাস্তা খাচ্ছিলাম। মানে রুটি-ভাজি খাওয়া শেষ, রং চায়ে আয়েশ করে চুমুক দিয়ে বাবার কথাই ভাবছিলাম।
আজ তাকে কাছেই সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে। দুদিন আগে তিনি পর পর তিনবার বাথরুমে পড়ে গিয়েছিলেন। ৮৬ বছর বয়সে এই প্রথম তার পা ফস্কে গেল। নইলে এতো বছর ধরে সব কাজ তিনি একাই করেছেন। অস্বাভাবিক পরিস্কার স্মৃতি তার। আর ভীষণ বই পড়ার বাতিক।

Wednesday, May 11, 2016

আমার মা সিরাজী বিটি~


সেদিন ছুটির দিনে সকালে আমার ৭৪ বছর বয়সী মা’র ঘরটা গুছিয়ে দিচ্ছিলাম। বাসার সকলে যে যার কাজে ব্যস্ত। বিছানার চাদর-বালিশের কাভার বদলে দেয়া, ঘরের মেঝে পরিস্কার ইত্যাদি।

Wednesday, April 27, 2016

বেপরোয়া জিহাদী জঙ্গি


বিপ্লব রহমান, ঢাকা: জিহাদী মিশনে জঙ্গিরা মুক্তমনা লেখক, ব্লগার ও সংগঠক হত্যায় ক্রমেই হয়ে উঠছে বেপরোয়া।

Tuesday, August 11, 2015

চাপাতিতন্ত্রের ভেতর


০১. হুমায়ুন আজাদ, রাজিব হায়দার, অভিজিৎ রায়, ওয়াশিকুর রহমান বাবু, অনন্ত বিজয় দাশ, নিলয় নীল এবং ....।

সেদিন শুক্রবার কাজের চাপ কম বলে আমার বর্তমান কর্মস্থল নিউজনেক্সটবিডি ডটকম নামক নিউজ পোর্টালে সকল থেকেই কাটছিল খানিকটা আলস্যময় সময়। লাঞ্চের পর ঝুম বৃষ্টির ভেতর অফিস ঘরের ঝুল বারান্দায় চেয়ার পেতে বসে গরম চায়ের কাপে চুমুক দেয়ার মজাই আলাদা। নিম গাছটি বর্ষার নতুন পানিতে হেসে উঠছে বলে মনে হয়। ...

Monday, June 15, 2015

কলেরার দিনগুলোতে প্রেম~


(১) রাইস স্যালাইনগুলো বেশ করেছে। প্যাকেটের গায়ে প্রস্তুত প্রণালির ক্ষুদে ছবি আছে। দুই হাতে চুড়ি পরা। সেবা মানেই নারী? বিষয়টি কি আপত্তিকর? নারীবাদী কাম এনজিওগুলো কি বলে? ওরাই তো নারীমুক্তি, মানবাধিকার আর আদিবাসী মুক্তির জিম্মাদার্।

Wednesday, May 13, 2015

পরিস্থিতির বিবরণ

হুমায়ুন আজাদ, রাজিব হায়দার, অভিজিৎ রায়, ওয়াশিকুর রহমান বাবু, অনন্ত বিজয় দাশ এবং ....।

সহব্লগার অনন্ত খুন হওয়ার খবরটি অস্পষ্টভাবে সেদিন সাত সকলেই শুনলাম। মুক্তমনের মাহফুজ ভাই ফোন করে খোঁজ নিতে বললেন। আমি সাংবাদিক, তাই হয়তো আমার পক্ষে জানা সহজ। আমি পাগলের মতো সিলেটের সাংবাদিকদের টেলিফোন করতে থাকি। আরেক হাতে টিভি চ্যানেলের রিমোট চিপে একের পর এক সংবাদের স্ক্রলগুলো দেখতে থাকি। আমাকে কেউ বলুন, প্লিজ আমাকে বলুন, ব্লগার অনন্তর কি হয়েছে? তিনি এখন কোথায়?

Saturday, March 14, 2015

শিরোনামহীন


তত্কালে বিজ্ঞাপন বলিতে বুঝাইতো সংবাদপত্রের শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপন, এক কলাম এক ইঞ্চি, সাদাকালো ইত্যাদি। আমরা যাহারা কচিকাঁচার দল, ইঁচড়ে পাকা বলিয়া খ্যাত, তাহাদের তখনো অক্ষরজ্ঞান হয় নাই। তাই বইপত্র গিলিবার কাল খানিকটা বিলম্বিত হইয়াছিল। মূদ্রিত বিজ্ঞাপনের বিজ্ঞানটুকু বয়ান করিব যথাসময়ে। ভূমিকাপর্বে সংক্ষিপ্ত বাল্যকাল পরম্পরা সারিয়া লই।



সেই বেলা আমার বাবার শয়নকক্ষে কাকভোরে বাজিয়া উঠিত প্রমানাকৃতির একখানি ফিলিপস রেডিও। ঘুম ভাঙিত বিবিসি বাংলা অনুষ্ঠানের বাদ্যের শব্দে। মানসী বড়ুয়ার সুমষ্টি কণ্ঠস্বর শুনিতাম ঘুম ঘুম চোখে দাঁত মাজিতে গিয়া।  কাঠকয়লাতেই পরিবারের সকলের দন্ত মাঞ্জনের কাজ চলিত।

Friday, October 3, 2014

আমার বন্ধু কালায়ন চাকমা

প্রথম যৌবন বেলায় রাঙামাটির নান্যাচরের মাওরুম গ্রামে গিয়েছি সমীরণ চাকমার বিয়েতে। সমীরণ দা পরে শান্তিচুক্তি বিরোধী ইউপিডিএফ’র সঙ্গে যুক্ত হন। সেই গ্রুপ ছেড়েছেন অনেকদিন আগে, কিছুদিন আগে মারা গেছেন তিনি।

এরআগেও বহুবার চাকমাদের বিয়ের নিমন্ত্রণে গিয়েছি। কিন্তু ১৯৯৩ সালের শেষের দিকে, সমীরণ দা’র ওই বিয়েটি ছিলো খুবই জাঁক-জমকপূর্ণ। একদম আদি চাকমা সংস্কৃতির কোনো বিয়েতে অংশগ্রহণ সেই প্রথম।

Wednesday, October 2, 2013

লং মার্চ: রোড টু রামপাল



উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন
না ছাই,
রামপালে কাপ্তাই লেকের
কান্না শুনতে পাই...


চলেছে লং মার্চ। ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় প্রেসক্লাবে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে শুরু হলো ছাত্র-জনতার বিশাল বহরের রামপাল অভিমুখে যাত্রা। সুন্দরবন রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় সকলের চোখে-মুখে। মাথার ওপরে গনগনে সূর্য। খর রোদ, ভ্যাপসা গরম।

Friday, June 7, 2013

আমাদের সময়ের নায়কেরা- ০৩


লেখাপড়া করে যে…আটের দশকে আমরা যখন স্কুলের উঁচু ক্লাসের ছাত্র, তখন সাদাকালো দৈনিক পত্রিকার একটি সচিত্র সংবাদ আমাদের বৈকালিক আড্ডার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। আমরা ইত্তেফাকের সাধুভাষার খবরটি থেকে জানতে পাই, নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া তো বটেই, এমনকি শিল্প বিষয়ক সব ধরণের ডিগ্রি বাদেই ‘রাশা’ নামের ঝাঁকড়া চুলের প্রায় নিরক্ষর এক যুবক ভাস্কর্য শিল্পে এশিয়ার মধ্যে গোল্ড মেডেল অর্জন করেছে!

Friday, February 15, 2013

আমাদের সময়ের নায়কেরা-০২

‘এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাওয়ার তার শ্রেষ্ঠ সময়’…। কবি হেলাল হাফিজের ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ র অমর কবিতা। দ্বিতীয় প্রজেন্মের চলমান মুক্তিযুদ্ধে কবিতাটির অক্ষরগুলো যেনো প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে, ১৯৯০ এর জে. এরশাদ সরকার বিরোধী ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে অসংখ্য গণআন্দোলনে, মিছিলে, মিছিলে, গণসমাবেশে, দেওয়াল লিখনে, আন্দোলনের মঞ্চে অসংখ্যবার উদ্ধৃত হয়েছে এই অজয় কবিতা। শাহবাগের মোড় — প্রজন্ম চত্বরকে ঘিরে সারাদেশে চলমান গণজাগরনের মঞ্চগুলোতেও পাঠ হচ্ছে উদ্দীপনী এই কাব্যগাঁথা।

Tuesday, April 24, 2012

খাসিয়া পাহাড় চিত্র।। ফটো ব্লগ।।

খাসি বা খাসিয়া আদিবাসী জীবন পান চাষ নির্ভর। শ্রীমঙ্গলের আসাম সীমান্তের খাসি-হিলে দেখা মেলে এমন নিবিড় পান জুমের। খাসিয়া গ্রাম বা পুঞ্জিগুলো পাহাড়ের ওপর অরণ্য ঘেরা। এই প্রাকৃতিক অরণ্যই খাসিয়াদের জীবন। সেখানের বড় গাছগুলোকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠে পান লতা। সমতলের পান চাষের চেয়ে খাসিয়া পান চাষ তাই ভিন্ন প্রকৃতির। এই পদ্ধতির পান চাষকে বলে 'পান জুম'। পান জুমের পাতাগুলো আকারে ছোট, এগুলো বেশ ঝাঁঝালো স্বাদের। দেশ-বিদেশে পান-প্রিয়দের কাছে খাসিয়া পান পাতার বিশেষ কদর রয়েছে।