বিপ্লব রহমানের ভাবনার জগৎ। চাকমা ভাষায় ‘রাঙাবেল‘ কথাটির মানে ‘রাঙা প্রভাত‘। © কপিরাইট: লেখা ও ছবির স্বত্ত্ব লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত।
Tuesday, July 9, 2019
Wednesday, June 19, 2019
পাহাড়ে শিক্ষার বাতিঘর
পার্বত্য জেলা রাঙামাটির ঘাগড়ার দেবতাছড়ি গ্রামের কিশোরী সুমি তঞ্চঙ্গ্যা। দরিদ্র জুমচাষি মা-বাবার পঞ্চম সন্তান। অভাবের তাড়নায় অন্য ভাইবোনদের লেখাপড়া হয়নি। কিন্তু ব্যতিক্রম সুমি। লেখাপড়ায় তার প্রবল আগ্রহ। অগত্যা মা-বাবা তাকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন। কোনো রকমে মেয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডিটুকু পার করাতে পেরেছেন। কিন্তু এরপর? চটপটে পাহাড়ি মেয়েটি এই লেখককে বলে, ‘আমি ভেবেছিলাম আমার লেখাপড়া এখানেই শেষ। এ সময় আমরা শুনতে পাই ‘মোনঘর শিশু সদন‘র কথা। সেখানে নাকি নামমাত্র বেতনে খুব ভালো লেখাপড়া হয়। এরপর আমি এই আবাসিক স্কুলে এসে ভর্তি হই। মোনঘরের হাত ধরে আমি আরো অনেক দূর এগোতে চাই।‘
Sunday, March 3, 2019
আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - দ্বিতীয় পর্ব
[ফুন্দুরী রাঙা ঝুরবো ফেগ, তম্মা মইলে মুই ইদো এজ/ রাঙা লেজের ক্লান্ত পাখি, তোমার মা মারা গেলে আমার কাছে এসো- চাকমা লোকছড়া]
কিছুদিন আগে বাংলাদেশের বিশিষ্ট আদিবাসী গবেষক, চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের সঙ্গে আলাপ-চারিতা হচ্ছিল আদিবাসী শিশুর মাতৃভাষায় লেখাপড়ার বিষয়ে। তিনি জানালেন, পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সমতলের চেয়ে পাহাড়ে প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার অনেক বেশী। এর একটি প্রধান কারণ, শিশু শিক্ষায় ভাষাগত বাধা। তবে এ বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি জরিপ চালানো হয়নি বলে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন।
কিছুদিন আগে বাংলাদেশের বিশিষ্ট আদিবাসী গবেষক, চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের সঙ্গে আলাপ-চারিতা হচ্ছিল আদিবাসী শিশুর মাতৃভাষায় লেখাপড়ার বিষয়ে। তিনি জানালেন, পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সমতলের চেয়ে পাহাড়ে প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার অনেক বেশী। এর একটি প্রধান কারণ, শিশু শিক্ষায় ভাষাগত বাধা। তবে এ বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি জরিপ চালানো হয়নি বলে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন।
Saturday, March 2, 2019
হৃদয়ের শব্দহীন জোৎস্নার ভিতর...
এ কেমন রঙ্গযাদু?
ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্ক
শপিং মলের আন্ডারগাউন্ডে গিজগিজে মানুষ। ইন্ডিয়ার ভিসা প্রার্থীদের দীর্ঘতর লাইন। হাতে হাতে সবুজ পাসপোর্ট। লাইনে নানা বয়সী পুরুষেরাই
শুধু। মেয়েরা এখানে সংখ্যালঘু, তাদের লাইন নাই। মেডিকেল ভিসা প্রার্থীদের আবার
আলাদা খাতির। মোডে মোডে ওয়াকিটকি হাতে নিরাপত্তা রক্ষী। ব্যাগ ভেতরে যাবে না,
ব্যাগ জমা দিয়ে টোকেন নিন – নির্দেশ
তাদের। বিশাল হল রুমে গোটা চল্লিশেক ডেস্ক। ওপাশে পেশাদার তরুণ-তরুণী। ভিসার ধরণ
বুঝে টোকেন নিয়ে পাসপোর্ট জমা। স্লিপ হাতে
নিতে না নিতেই মোবাইলে টেক্সট-- ভারত সরকারের ভিসা প্রক্রিয়াধীন, অপেক্ষা করিতে
হইবে – ইত্যাদি।
Tuesday, January 15, 2019
Tuesday, November 6, 2018
মুখ ঢেকে যায় কালিমায়…
বিজ্ঞাপনের বাড়াবাড়িতে কবি লিখেছিলেন, মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে।
…
কিন্তু এখন পণ্য প্রচারের নামে নামে টিভিতে আদিবাসী পাহাড়ি নারীকে
হেয় করে তথা পুরো আদিবাসী সমাজকেই ব্যাঙ্গ করে যে কুৎসিৎ বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে, তাতে
বিজ্ঞাপনের কালিমায় কদার্য হচ্ছে আমাদের সকলেরই মুখ। পাঠক, আসুন, এই আলোচ্য বিজ্ঞাপনের তত্ত্ব-তালাশ করি।
Thursday, September 13, 2018
আমার ভাই মানব~

আমার বড় ভাই মেসবাহ রহমান, মানব গত বছর ১০ সেপ্টেম্বর সাভার সিআরপিতে ভোর বেলা দেহ রেখেছিলেন, ঘুমের ভেতরেই হার্ট এটাক।
সেদিন মর্নিং ডিউটি ছিল, সকাল ৭টার টেলিভিশন নিউজ বুলেটিন অন এয়ার হয়েছে মাত্র। এমন সময় ভাইয়ার নার্সের হাউমাউ কান্না। আমি তাকে স্থির বুদ্ধিতে একজন ডাক্তার ডেকে মৃত্যু নিশ্চিত করতে বলি। অফিসে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে ছুটি নিয়ে সাভারের পক্ষাঘাত পুনর্বাসন কেন্দ্রে ছুটে যাই। পাগলের মত একেতাকে টেলিফোন করি, আমার একমাত্র ভাই!
Sunday, August 26, 2018
ফুলবাড়ি, লাল সেলাম!
আমরা তো ভুলি নাই শহীদ...
দিনাজপুর প্রতিনিধি খবর দেওয়ার আগেই ফুলবাড়ি গণবিদ্রোহে গুলি চালানো প্রথম খবর পাই আন্দোলনের বন্ধুদের কাছ থেকে। তখনো গুলি আর টিয়ার শেল বর্ষণ চলছিলো (২৬ আগস্ট, ২০০৭, বিকেল বেলা)।
আমি খবরটি নিশ্চিত করার জন্য সঙ্গে সঙ্গে দিনাজপুরে পরিচিত সাংবাদিকদের টেলিফোন করা শুরু করি। অফিসে জানাই, টপমোস্ট নিউজ রেডি হচ্ছে।
Monday, August 20, 2018
গুজব দিয়ে যায় চেনা
প্রাক-কথন বাংলাদেশে গত ২৯ জুলাই জাবালে নূরের দুটি বাসের রেষারেষির মধ্যে একটি বাস ঢাকার বিমানবন্দর সড়কের এমইএস এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়ানো একদল শিক্ষার্থীর উপর উঠে যায়। এতে শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলেই নিহত হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে তাদের সহপাঠীরা। ধীরে ধীরে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকার সব রাজপথে গড়ে তোলে “নিরাপদ সড়ক আন্দোলন”।
অভূতপূর্ব এই স্বতস্ফূর্ত আন্দোলন খুব শিগগিরই স্ফূলিঙ্গ থেকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে যায় শহর থেকে বন্দরে, নগর থেকে নগরে, সারা বাংলাদেশে। শিক্ষার্থীরা রোদ-বৃষ্টি, পুলিশ ও ছাত্রলীগের লাঠিপেটা উপেক্ষা করে ট্রাফিকের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বুঝিয়ে দেয় সিস্টেমের গলদ।
Sunday, August 5, 2018
সাবাস বাংলাদেশ! এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়…
উই ওয়ান্ট জাস্টিস!
“রাস্তা বন্ধ। রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চলিতেছে।”.... “আমরা যদি না জাগি মা, ক্যামনে সকাল হবে?” … “যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ, যদি তুমি ঘুরে দাঁড়াও, তবে তুমিই বাংলাদেশ!”…
এগুলো কিশোর বিদ্রোহীদের প্ল্যাকার্ডের তিনটি শ্লোগান। এই সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এই ছোট পাখিদের কলরব।
প্রথমে রাজধানী ঢাকায়, পরে সারাদেশ জুড়ে অভূতপূর্ব জাগরণ এনেছে স্কুল-কলেজের ছোট ছেলেমেয়েরা। মন্ত্রী থেকে পুলিশ, ভিআইপি থেকে সিআইপি -- সবার ওপর কর্তৃত্ব করছে ওরা।দেশের ট্রাফিক ব্যবস্থার গুরুভার কচি কাঁধে তুলে ধরে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে সিস্টেমের গলদ। এই কিশোর বিদ্রোহীরা রোদ-বৃষ্টি, পুলিশ ও ছাত্রলীগের লাঠিপেটা, হুমকি-ধামকি, চোখ রাঙানি – সব উপেক্ষা করে এক সপ্তাহ ধরে দখল করে রেখেছে রাজপথ। মূল দাবি একটাই – নিরাপদ সড়ক চাই। এক সপ্তাহ জুড়ে চলছে এই অভূতপূর্ব আন্দোলন।
Subscribe to:
Posts (Atom)







