রাঙাবেল: ই-বুক:: রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে...: রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে লেখক: বিপ্লব রহমান প্রচ্ছদ: আহমেদ অরূপ কামাল দাম: ৮০ টাকা প্রকাশক: পাঠসুত্র পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫০
বিপ্লব রহমানের ভাবনার জগৎ। চাকমা ভাষায় ‘রাঙাবেল‘ কথাটির মানে ‘রাঙা প্রভাত‘। © কপিরাইট: লেখা ও ছবির স্বত্ত্ব লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত।
Thursday, May 29, 2014
Thursday, May 8, 2014
রবীন্দ্রনাথ গায়েব শাহজাদপুরে
বিপ্লব রহমান ও আতাউর রহমান পিন্টু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে ফিরে:সরকারি নথিপত্র থেকে বেমালুম গায়েব কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশাল পৈতৃক জমিদারি শাহজাদপুর তথা শাহজাদপুর ডিহি। একই সঙ্গে পুরোপুরি বেহাত হয়ে গেছে জমিদারির সম্পত্তি। সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেল, ঠাকুর পরিবারের নামে এখন শাহজাদপুরের রবীন্দ্র কাছারিবাড়িটুকুই শুধু প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের রেকর্ডভুক্ত। বাকি জমির অধিকাংশই নানা ব্যক্তির কবজায় চলে গেছে। জমির মালিকানা নিয়ে মামলা-মোকদ্দমাও রয়েছে বিস্তর।
Monday, April 21, 2014
টিনটিন অপহরণ ও "সাজানো নাটক" শোরগোল
০১. পাহাড়ের সংগীত শিল্পী সৌরভ চাকমা টিনটিন ও তার
বন্ধু রিকি চাকমা অপহরণকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি আদিবাসী বন্ধুদের কোনো কোনো
মহল একে "সাজানো নাটক" বলে চিহ্নিত করতে এখন খুবই তৎপর। এ নিয়ে ফেসবুক,
ব্লগ ও টুইটুারে মহলটি জোর শোরগোল তুলেছে।
এই কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে, সিএইচটি
টোয়েন্টিফোর ডটকম- নামে আধুনা গজিয়ে ওঠা একটি নিউজ পোর্টাল ।
[http://www.cht24.com/19/04/2014/8128#.U1O4dyfIbFw]
[http://www.cht24.com/19/04/2014/8128#.U1O4dyfIbFw]
Monday, March 31, 2014
পাহাড়ে বিপন্ন জনপদ~
আনুমানিক ২৫ হাজার পাহাড়ি-বাঙালির রক্তের বিনিময়ে সাক্ষরিত শান্তিচুক্তিতেও কী শান্তি হয়েছে পাহাড়ে? তাহলে ক্রেওক্রাডং-এর দুর্গম পাহাড়ে কেন এখনো নিরব দুর্ভিক্ষের হাহাকার? শান্তিচুক্তির পরেও কেন সেখানে সেনা বাহিনী ‘অপারেশন দাবানলের’ পর চালাচ্ছে ‘অপারেশন উত্তোরণ’? তাহলে কি অস্ত্রের ঝনঝনানি থামেনি? পাহাড়ে অভিবাসিত বাঙালি সেটেলাররা কি দৃষ্টিতে দেখেন সাধারণ পাহাড়িদের? এই বৈরি সর্ম্পকের শেকড় কোথায়? কোথায় আজ কল্পনা চাকমা? শান্তিচুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে ‘সন্তুস’, ‘গন্ডুস’ ও ‘ফাল্তুস’ নামের পাহাড়িদের সশস্ত্র সংঘাতেরই বা শেষ কোথায়? কেনোই বা অধরা বহুল কাঙ্খিত শান্তি?
প্রায় দুই দশকের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এইসব নানান বিষয়ে ২০০৯ সালের লিখেছিলাম ছোট্ট একটি বই- ‘রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে’।
Friday, February 21, 2014
আদিবাসী শিশু পড়বে নিজ ভাষাতেই
একুশের সংবাদ: আদিবাসী শিশু পড়বে নিজ ভাষাতেই
by Biplob Rahaman for AlalODulal.org
কিছুদিন আগে বিশিষ্ট আদিবাসী গবেষক, চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের সঙ্গে আলাপ-চারিতা হচ্ছিল আদিবাসী শিশুর মাতৃভাষায় লেখাপড়ার বিষয়ে। তিনি জানালেন, পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সমতলের চেয়ে পাহাড়ে প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার অনেক বেশী। এর একটি প্রধান কারণ, শিশু শিক্ষায় ভাষাগত বাধা। তবে এ বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি জরিপ চালানো হয়নি বলে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন।
by Biplob Rahaman for AlalODulal.org
কিছুদিন আগে বিশিষ্ট আদিবাসী গবেষক, চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের সঙ্গে আলাপ-চারিতা হচ্ছিল আদিবাসী শিশুর মাতৃভাষায় লেখাপড়ার বিষয়ে। তিনি জানালেন, পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সমতলের চেয়ে পাহাড়ে প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার অনেক বেশী। এর একটি প্রধান কারণ, শিশু শিক্ষায় ভাষাগত বাধা। তবে এ বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি জরিপ চালানো হয়নি বলে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন।
Monday, February 17, 2014
একুশের সংবাদ: মুনীর অপটিমা থেকে অভ্র
শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে উদ্ভাবন করেন ‘মুনীর অপটিমা’ টাইপরাইটার। ছাপাখানার বাইরে সেই প্রথম প্রযুক্তির সূত্রে বাংলা পেল নতুন গতি। স্বাধীনতার পর ইলেকট্রনিক টাইপরাইটারেও যুক্ত হয় বাংলা। পরে আটের দশকে ‘বিজয়’ সফটওয়্যার ব্যবহার করে সম্ভব হয় কম্পিউটারেই বাংলা লেখা। আর ২০০৩ সালের ২৬ মার্চ মুক্ত সফটওয়্যার ‘অভ্র’ উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এক নবযাত্রা।
আন্তর্জাতিক বর্ণ সংকেতায়ন বা ইউনিকোডে বাংলা বর্ণলিপি যুক্ত হওয়ায় ‘অভ্র’ ফন্টে সম্ভব হয় ইন্টারনেটে বাংলায় লেখালেখিসহ বাংলায় ওয়েবসাইট নির্মাণ। একই সঙ্গে অফলাইনে বাংলার প্রসার বাড়ে এই সফটওয়্যারে। কম্পিউটারে বাংলা লেখার সুযোগ সৃষ্টি মুদ্রনশিল্পেও এনেছে অভাবনীয় পরিবর্তন।
‘অভ্র’ উদ্ভাবন করেন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান খান। মেহেদী, রিফাতুন্নবি, তানভিন ইসলাম সিয়াম, রাইয়ান কামাল, শাবাব মুস্তফা, নিপুণ হক- এই কয়েক বন্ধু সেই থেকে ‘অভ্র’র উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে কাজ করছেন। ‘ভাষা হোক উন্মুক্ত’- এই স্লোগানে ‘অভ্র’র সম্মুখযাত্রা শুরু। এর সমস্ত সংস্করণ ওয়েবসাইট [omicronlab.com] থেকে বিনা মূল্যে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়। ব্যবহারকারীর সুযোগ রয়েছে অভ্র, প্রভাত বা ফনেটিক কি-বোর্ড বাছাই করার। এমনকি যিনি কম্পিউটারে বাংলা লিখতে অভ্যস্ত নন, তিনিও অন্তত কিছু বাক্য ‘অভ্র’তে লিখতে পারবেন ডিজিটাল কি-বোর্ড থেকে মাউস দিয়ে।
Saturday, February 15, 2014
একুশের সংবাদ: ক্ষুদ্রজাতির ভাষায় বিশ্বকোষ
নির্মাতাদের সূত্রে জানা গেছে, উইকিপিডিয়া হলো জনমানুষের হাতে তৈরি সাধারণের জন্য লেখা বিশ্বকোষ। বাংলাদেশের ভাষাগুলোর মধ্যে বাংলা ছাড়া কেবল বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষায় রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ উইকি। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি উইকি নির্মাণ শুরু হয় ২০০৬ সালে। পরের তিন বছর পর্যন্ত এর অগ্রগতি ছিল অনেকটাই সাবলীল। কাজটি একাই অনেকটা এগিয়ে নেন নিউ ইয়র্কপ্রবাসী উত্তম সিংহ। তবে স্বেচ্ছাশ্রমে সমষ্টিগত অবদানকারীর অভাবে ২০০৯ সাল থেকে ধীর হয়ে পড়ে এর কার্যক্রম।
Friday, February 14, 2014
একুশের সংবাদ: আলো ছড়াচ্ছে ভাষা শিক্ষার নিকেতন
ভাষার ওপর নিবিড় শিক্ষা ও উচ্চতর গবেষণায় জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে ‘আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষানিকেতন বিগত চার দশকে পরিণত হয়েছে বিদেশি ভাষা শিক্ষার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানে। নিয়মিত গবেষণাপত্র প্রকাশ, আলোচনা সভা ও স্মারক বক্তৃতার আয়োজন, সুবিশাল পাঠাগার, ছাত্রবৃত্তি প্রদানের মতো অর্জনও কম নয় প্রতিষ্ঠানটির।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে বাংলা ছাড়াও রয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, জাপানি, চীনা, আরবি, কোরিয়ান, ইতালিয়ান, ফারসি, রুশ, স্প্যানিশ ও টার্কিশ ভাষা শিক্ষার বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এখানে একেকটি কর্মসূচিতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিরা দূতাবাস, জাতিসংঘ মিশন, বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পেশায় রাখছেন মেধার স্বাক্ষর। তবে ইনস্টিটিউটের বাংলা ভাষা শিক্ষার কর্মসূচিটি কেবলই বিদেশিদের জন্য। অন্যসব কর্মসূচি অবশ্য সবার জন্যই উন্মুক্ত। ইনস্টিটিউটটি পরিচালিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।
১৩টি ভাষার যেকোনোটির ওপর প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের সেখান থেকে দেওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ। ভাষার ওপর উচ্চতর গবেষণার (এমফিল, পিএইচডি) সুযোগও রয়েছে এখানে। এ জন্য যে সনদটি দেওয়া হয় সেটিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিশ্বমানের এসব সনদ বহু বছর ধরে সমাদৃত হচ্ছে সর্বত্র। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার সনদটি ব্রিটিশ কাউন্সিল সমমানের।
Thursday, February 13, 2014
একুশের সংবাদ: শুরু হচ্ছে দেশের সব ক্ষুদ্রজাতির ভাষার সমীক্ষা
দেশের সব ক্ষুদ্রজাতির ভাষা সংরক্ষণ ও বিকাশে প্রথমবারের মতো সমীক্ষা করতে যাচ্ছে সরকার। এ জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট এরই মধ্যে গ্রহণ করেছে বছরব্যাপী এক কর্মসূচি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল ভাষা ও নৃবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ এবং চৌকস একটি কর্মীবাহিনী আগামী মার্চ থেকে শুরু করবে মাঠপর্যায়ের সমীক্ষার কাজ। ক্ষুদ্রজাতির প্রতিনিধিরাও যুক্ত থাকছেন এ উদ্যোগে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশে নৃভাষার বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা’ নামক পরীক্ষামূলক এই কর্মসূচি চলবে ক্ষুদ্রজাতি অধ্যুষিত দেশের ২০টি অঞ্চলে। এরপর চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গা, ম্রো, লুসাই, বম, রাখাইন, গারো, হাজং, সাঁওতাল, ওঁরাও, মুণ্ডা, খাসিয়া, মণিপুরিসহ প্রায় ৭০টি ক্ষুদ্রজাতির প্রায় ২৫ লাখ মানুষের নিজস্ব ভাষা, উচ্চারণ, বর্ণমালা, ভাষার বৈশিষ্ট্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে চলবে গবেষণা। পরে মাঠ পর্যায়ের সব তথ্য ও শ্রুতি সংরক্ষণ করা হবে মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের নিজস্ব তথ্য ব্যাংকে। ভাষাগত সংখ্যালঘুর এসব তথ্য-উপাত্ত নিয়ে বাংলা ও ইংরেজিতে প্রকাশ করা হবে বিশদ গ্রন্থ। এসব গ্রন্থ সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে ওয়েবসাইটেও।
সরকারি অর্থায়নে পুরো সমীক্ষায় ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় চার কোটি টাকা। পরে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত নিয়ে চলবে নিবিড় গবেষণা। বিস্তারিত কর্মসূচি নিয়ে পরবর্তী সময়ে বড় মাপে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ ভাষাভিত্তিক সমীক্ষা হবে।
Tuesday, February 11, 2014
একুশের সংবাদ: নিউজ পোর্টালের গর্বিত পথচলা
আন্তর্জাতিক বর্ণ সংকেতায়ন বা ইউনিকোডে বাংলা ভাষার লিপি যুক্ত হয়েছে বছর আটেক আগে। মুক্ত ইউনিকোড বাংলা ফন্ট অভ্র’র হাত ধরে এরপর অনলাইনে বাংলা ভাষার শুধুই এগিয়ে চলা। এ ভাষাতেই এখন তৈরি হচ্ছে জনমুখী নানা ওয়েবসাইট। বাংলাতেই গড়ে উঠেছে ইন্টারনেটভিত্তিক অসংখ্য সংবাদমাধ্যম বা নিউজ পোর্টাল। অভ্র ছাড়াও ইউনিকোডে যুক্ত হয়েছে আরো অনেক বাংলা ফন্ট। সাইবার বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে মহান একুশের অর্জন।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, বাংলায় নিউজ পোর্টাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ওপার বাংলার তুলনায় বাংলাদেশ বহুগুণে এগিয়ে গেছে। গত কয়েক বছরে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগের দাম কমে আসায় এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। কালের কণ্ঠসহ দেশের প্রধান সারির বাংলা সংবাদপত্রগুলোও বেশ কয়েক বছর ধরে অনলাইনে প্রচার করছে তাৎক্ষণিক সংবাদ ও ছবি। থাকছে ভিডিওচিত্রও। প্রতি মুহূর্তের সংবাদ ও বিনোদনের জন্য খবরপিপাসু সারা বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষীরা টেলিভিশন ছাড়াও এখন গুরুত্ব দিচ্ছেন অনলাইন সংবাদকে।
পরিষেবামূলক বিভিন্ন ধরনের পোর্টালও বাংলা ভাষায় তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশেই। এর মধ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবেশ, জ্বালানি, অর্থনীতি ইত্যাদি বিষয়ের পোর্টাল বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
ইন্টারনেট ব্যবহারবিষয়ক জরিপ সংস্থা আলেক্সার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় নিউজ পোর্টাল চার হাজারের বেশি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নিউজ পোর্টালের সংখ্যা শতাধিক। এসব ওয়েবসাইটের নিবিড় পাঠক (ইউনিক ভিউয়ার) সংখ্যা এরই মধ্যে ছাড়িয়েছে ১৫ লাখ।
ইন্টারনেট ব্যবহারবিষয়ক জরিপ সংস্থা আলেক্সার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় নিউজ পোর্টাল চার হাজারের বেশি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নিউজ পোর্টালের সংখ্যা শতাধিক। এসব ওয়েবসাইটের নিবিড় পাঠক (ইউনিক ভিউয়ার) সংখ্যা এরই মধ্যে ছাড়িয়েছে ১৫ লাখ।
Subscribe to:
Posts (Atom)

