ওহ, বলতে ভুলে গেছি, বিঝু হচ্ছে চাকমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান– এই তিন জেলা নিয়ে গড়ে ওঠা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিঝুকে ঘিরে যেনো নতুন করে সাজে প্রতিবছর অন্য রকম এক আনন্দে।
বিপ্লব রহমানের ভাবনার জগৎ। চাকমা ভাষায় ‘রাঙাবেল‘ কথাটির মানে ‘রাঙা প্রভাত‘। © কপিরাইট: লেখা ও ছবির স্বত্ত্ব লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত।
Saturday, April 10, 2010
বিঝু ফেগ ডাকে, বিঝু বিঝু…
ওহ, বলতে ভুলে গেছি, বিঝু হচ্ছে চাকমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান– এই তিন জেলা নিয়ে গড়ে ওঠা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিঝুকে ঘিরে যেনো নতুন করে সাজে প্রতিবছর অন্য রকম এক আনন্দে।
Tuesday, April 6, 2010
পার্বত্য চট্টগ্রাম এখনো বিদ্রোহ অধ্যুষিত অঞ্চল!
০১। সাবেক গেরিলা নেতা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা ১৯৯৯ সালের মধ্যভাগে রাঙামাটিতে আঞ্চলিক পরিষদের জমকালো অভিষেক অনুষ্ঠানে যে বক্তব্যটি দিয়েছিলেন, তাতে তিনি স্পষ্টই অভিযোগ করেছিলেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের (১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর) আগে পাহাড়ে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন দাবানল’ চলছিল। শান্তিচুক্তির পর সেখানে শুরু হয়েছে ‘অপারেশন উত্তরণ’। প্রশাসন, উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ সর্বত্র সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনের ওপর কর্তৃত্ব করে চলেছে। এটি আসলে পরোক্ষ সেনাশাসন। সন্তু লারমা তাঁর ভাষণে প্রশ্ন রাখেন, কোথায় আজ কল্পনা চাকমা? তাঁকে কেন নিখোঁজ হতে হলো?
Thursday, March 25, 2010
বেতারে খুনিরা যা বলেছিল
১৯৭১
সালের ২৫ মার্চ কারফিউ জারি করে মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনারা পুরো ঢাকায় যে
নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়, তার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল 'অপারেশন সার্চলাইট'। এটি
ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলনকে চিরতরে
বুলেটে স্তব্ধ করে দেওয়ার নীলনকশা।
ঢাকার খিলগাঁওয়ের চৌধুরীপাড়ার বাসায় বসে সেদিন রাত দেড়টা থেকে পরদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনাদের বেতারবার্তা রেকর্ড করেছিলেন আণবিক শক্তি কেন্দ্রের পদার্থবিজ্ঞানবিদ ড. এম এম হোসাইন। তাঁর রেকর্ডকৃত বেতারবার্তার স্ক্রিপ্টে দেখা যায় পাকিস্তানি সেনাদের বেশ কিছু সামরিক সংকেত ব্যবহার করতে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও পিলখানায় অপারেশনের দায়িত্বে থাকা ইউনিটগুলোর কথোপকথনের ধারাভাষ্য থেকে বাঙালি নিধনের খণ্ডচিত্র ফুটে ওঠে। একই সঙ্গে মূর্ত হয় প্রতিরোধের লড়াইও।
ঢাকার খিলগাঁওয়ের চৌধুরীপাড়ার বাসায় বসে সেদিন রাত দেড়টা থেকে পরদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনাদের বেতারবার্তা রেকর্ড করেছিলেন আণবিক শক্তি কেন্দ্রের পদার্থবিজ্ঞানবিদ ড. এম এম হোসাইন। তাঁর রেকর্ডকৃত বেতারবার্তার স্ক্রিপ্টে দেখা যায় পাকিস্তানি সেনাদের বেশ কিছু সামরিক সংকেত ব্যবহার করতে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও পিলখানায় অপারেশনের দায়িত্বে থাকা ইউনিটগুলোর কথোপকথনের ধারাভাষ্য থেকে বাঙালি নিধনের খণ্ডচিত্র ফুটে ওঠে। একই সঙ্গে মূর্ত হয় প্রতিরোধের লড়াইও।
'চোখের সামনেই ওরা গুলি করে বাবা মা ভাই বৌদিকে'
বায়ান্ন, একাত্তর, নব্বইসহ বাংলাদেশের প্রতিটি গণ-আন্দোলনের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সদা হাস্যোজ্জ্বল, সবার প্রিয় মধুদাকে (মধুসূদন দে) পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ভোরে ছোট ছোট ছেলেমেয়ের সামনে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। একই সঙ্গে তারা গুলি করে হত্যা করে মধুদা'র স্ত্রী যোগমায়া দে, তাঁর বড় ছেলে রঞ্জিত কুমার দে ও পুত্রবধূ রীনা রানী দে'কে। এই চার-চারটি হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী মধুর ক্যান্টিনের বর্তমান পরিচালক ও শহীদ মধুদার ছোট ছেলে অরুণ কুমার দে। দৈনিক কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপচারিতায় সে সময়ের ১০ বছরের শিশু অরুণ জানাচ্ছেন সেই নির্মম অভিজ্ঞতার কথা।
Friday, March 19, 2010
বন্ধ হয়ে গেল ‘কনসার্ট ফর বাঘাইহাট ভিক্টিমস’!
পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্দেশে বন্ধ হয়ে গেছে ’কনসার্ট ফর বাঘাইহাট ভিক্টিমস’! রাঙামাটির বাঘাইহাটে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দেওয়ার জন্য ১৯ মার্চ, শুক্রবার বিকাল ৩টায় জেলার রাজবাড়ি অফিস মাঠে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা কালায়ন চাকমা সকালে টেলিফোনে আমাকে এই খবরটি দেন। তিনি বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়। তারপরেও একেবারে শেষ মুহূর্তে কোন কারণ ব্যাখা না করেই তা বন্ধ করে দেওয়া সত্যিই খুব বিস্ময়কর। এতে আমাদের বিপুল আয়োজন ও পরিশ্রম পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেল।’
Sunday, March 7, 2010
৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি যেভাবে রেডিওতে প্রচার হলো…
১৯৭১ এর মার্চ মাসের সময়টা ছিলো ভয়ঙ্কর। তারপরও সেই ভয়ঙ্কর দিনগুলোতে পাকিস্তান রেডিওর ঢাকা কেন্দ্রের কয়েক জন দুঃসাহসী কর্মকর্তা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক সে ভাষণ সম্প্রচার করেছিলেন।
পাকিস্তানি সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় শেখ মুজিব যে ভাষণ দেন তা সম্প্রচারের জন্য দুঃসাহসী সেসব কর্মকর্তাদের কাছে জাতি চীর কৃতজ্ঞ।
অগ্নিঝরা সেই ভাষণের বিষয়বস্তু পৌঁছে গিয়েছিলো বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে। এ ভাষণের মধ্য দিয়েই বাঙালির নেতা পাকিস্তান সরকারের সাথে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা করেন। এ ভাষণের বাঙালির স্বাধিকারের আকাঙ্খাকে আরও উস্কে দিয়েছিলো। আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলো জনগণের মনে।
Thursday, February 25, 2010
পাহাড়ে কেন এত সহিংসতা?
১। কিছুদিন আগে বান্দরবানের দুর্গম নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তিনি গর্ব করে নিজ পরিচয় দিয়ে বললেন, আমার বাড়ি চট্টগ্রামে। বেশ কয়েক বছর আগে আমি ব্যবসায়িক কাজে নাইক্ষ্যংছড়িতে এসে আর ফিরে যাইনি। সেখানেই বসতি গড়েছি, বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছি। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানও হয়েছিলাম। ইনশাল্লাহ, আমার এলাকায় আগামী পাঁচ-ছয় বছরে সব কয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি পদে বাঙালিরাই নির্বাচিত হবেন, কোনো পাহাড়ি নন। এলাকায় বাঙালি ভোটারের সংখ্যাও বাড়ছে।
Saturday, September 19, 2009
মওলা কে বোঝে তোমার অপার লীলে?...
হিযবুত তাহরির নামক সেই রহস্যময় জেহাদী সংগঠনের ১০ জন সদস্য গতকাল রাজশাহীতে আটক হওয়ার পর আজই দুপুরে তারা ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে সমাবেশ করেছে।
ঘরোয়া রাজনীতির সুযোগে সরকার বিরোধী জেহাদী বক্তব্যও দিয়েছে। একটু আগে টিভি নিউজে সেই নারায়ে তাকবির...ইত্যাদিসহ জেহাদি সংবাদটি দেখে অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিকভাবে মনে পড়লো, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে আমেরিকায় ইফতার পার্টি-সংবর্ধনার নামে প্যারোলের শর্ত ভঙ্গ করে রাজনৈতিক বক্তৃতা দিয়ে বেড়াচ্ছেন, তখন এই আপাত নিরীহ হিযবুত তাহরির তো অন্তত ঘরোয়া রাজনীতিই করছে!
কিন্তু প্রশ্ন জাগে, রাজশাহীতে সরকার বিরোধী পোস্টার-লিফলেট থাকার অপরাধে হিযবুতের ১০ জন জঙ্গি সন্দেহে আটক হতে পারলে খোদ রাজধানীর বুকে তারা কী ভাবে আবার সরকার বিরোধী সমাবেশ-বক্তৃতাবাজীর সাহস পায়?
Monday, June 8, 2009
Saturday, May 2, 2009
প্রেস জোকস

[গণমাধ্যমে প্রায়ই মজার মজার কিছু সত্যি ঘটনা ঘটে। এ সব কখনো কখনো প্রচলিত হাস্য কৌতুককে হার মানিয়ে দেয়। আবার এসব প্রেস জোকসের নেপথ্যে থাকে কষ্টকর সাংবাদিকতা পেশাটির অনেক অব্যক্ত কথা। এমনই কিছু বাস্তব ঘটনা নিয়ে এই 'প্রেস জোকস' পর্ব। রীতিমত প্রাপ্তমনস্কদের জন্য রচনা।]
ট্যাক্স ফ্রি
বিখ্যাত ফটো সাংবাদিক মোহাম্মাদ আলম (কিছুদিন আগে প্রয়াত) ভাইয়ের ঘটনা। ১৯৭২-৭৩ সালে আলম ভাই ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী। পানপ্রিয় আলম ভাই প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সাথে মস্কো সফর শেষে দেশে ফেরার সময় সাথে নিয়ে এসেছেন এক বোতল রাশান ভোদকা। তো তেজগাঁ বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তারা কিছুতেই তাকে ছাড়বেন না। তারা ভোদকার জন্য ট্যাক্স দাবি করে বসলেন। এদিকে আলম ভাই কর্পদশুন্য।
Subscribe to:
Posts (Atom)
