[সাবেক চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের সক্রিয় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধকে বহুবছর ধরে বিভ্রান্তির ঘেরাটোপে রাখা হয়েছে। খাটো করে দেখা হয়েছে পাহাড়ি জনগণের মুক্তিযুদ্ধ তথা ১৯৭১ সালে তাদের সব ধরণের চরম আত্নত্যাগের ইতিহাস। একই সঙ্গে সারাদেশে আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের আত্নত্যাগকেও অনেক ক্ষেত্রে অবমূল্যায়ন করার অপপ্রয়াস চালানো হয়। এ কারণে লেখার শিরোনামে 'অন্য আলোয় দেখা' কথাটি যুক্ত করা হয়েছে। বলা ভালো, এটি মুক্তিযুদ্ধের ওপর কোনো গুঢ় গবেষণাকর্ম নয়; এটি নিছকই পাহাড়ের মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি আলোচনার অবতারণা মাত্র।]
বিপ্লব রহমানের ভাবনার জগৎ। চাকমা ভাষায় ‘রাঙাবেল‘ কথাটির মানে ‘রাঙা প্রভাত‘। © কপিরাইট: লেখা ও ছবির স্বত্ত্ব লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত।
Thursday, December 15, 2011
পাহাড়ের মুক্তিযুদ্ধ: অন্য আলোয় দেখা
[সাবেক চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের সক্রিয় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধকে বহুবছর ধরে বিভ্রান্তির ঘেরাটোপে রাখা হয়েছে। খাটো করে দেখা হয়েছে পাহাড়ি জনগণের মুক্তিযুদ্ধ তথা ১৯৭১ সালে তাদের সব ধরণের চরম আত্নত্যাগের ইতিহাস। একই সঙ্গে সারাদেশে আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের আত্নত্যাগকেও অনেক ক্ষেত্রে অবমূল্যায়ন করার অপপ্রয়াস চালানো হয়। এ কারণে লেখার শিরোনামে 'অন্য আলোয় দেখা' কথাটি যুক্ত করা হয়েছে। বলা ভালো, এটি মুক্তিযুদ্ধের ওপর কোনো গুঢ় গবেষণাকর্ম নয়; এটি নিছকই পাহাড়ের মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি আলোচনার অবতারণা মাত্র।]
Wednesday, November 23, 2011
Monday, November 21, 2011
বাঙাল বিপ্লব লঙ্ঘিল গিরি...
বান্দরবানের দূর্গম পাহাড়ে ডিসেম্বরের ভোরে হীম বাতাসের কামড় ও ধোঁয়াশার দাপট খানিকটা কমে এলে সহযাত্রী সাংবাদিক বুদ্ধজ্যোতি চাকমাসহ পরিকল্পনা করা হবে আরো দূর যাত্রার।
সে দফায় বর্ষিয়ান বম গ্রাম প্রধান সাংলিয়ান কারবারী গাইড করবেন মেঘপুঞ্জিঁ ভেদ করে খাড়া উঠে যাওয়া ক্রেওক্রাডং পর্বত-লঙ্খন পর্বে। এর আগেই সাংবাদিক কাম অভিযাত্রীদ্বয় কাটিয়ে উঠবেন বগা লেকের অপার বিস্ময়।
Thursday, October 27, 2011
রশীদ তালুকদার: একটি ব্যক্তিগত কথন
তখনো বালক বেলা একেবারের ছেড়ে যায়নি, নবম কি দশম শ্রেণীতেই যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের অন্যপাঠ সর্ম্পকে আগ্রহ জন্মে। এ কারণে ১০ জানুয়ারি, ২১ ফেব্রুয়ারি, ৭ মার্চ, ২৫ মার্চ, ৭ নভেম্বর, ১৪ ডিসেম্বর, ১৬ ডিসেম্বর -- ইত্যাদি বিশেষ দিবসের কাগজগুলোর নিবিড় পাঠ করা হতো।
সে সময়ই নজরে আসে সাদা-কালো সংবাদপত্রের যুগে ঐতিহাসিক কিছু সাদাকালো ছবি, এর সব কয়েকটির আলোকচিত্রী ছিলেন রশীদ তালুকদার।
স্মরণ করা ভালো, একুশে ফ্রেব্রুয়ারিতে ইত্তেফাকের একটি লিড ফাইল ফটোতে দেখা হয়েছিল ১৯৭১ এর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশের বেদনা বিধুর শহীদ মিনার। ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চ-লাইটে কামানের গোলায় পাকিস্তানি সেনারা গুড়িয়ে দিয়েছিল শহীদ মিনার। সে সময় ২১ ফেব্রুয়ারি পালন করার জন্য ছাত্ররা একই স্থানে ইট দিয়ে ছোট্ট একটি স্তম্ভ নির্মাণ করে একটু কাগজে আঁকাবাঁকা হরফে 'শহীদ মিনার' লিখে স্তম্ভের গায়ে সেঁটে দিয়েছিল। ১৯৭১ এ সেখানেই শ্রদ্ধার্ঘ দিয়েছিল নিস্পেষিত, বিক্ষুব্ধ বাঙালি।
Sunday, October 23, 2011
আমাদের সময়ের নায়কেরা- ০১
এক.
‘৯০ এর ছাত্র-গণআন্দোলনের শেষ প্রান্তে চরম দীনতার অনুসঙ্গে খানিকটা ঘটনাচক্রেই ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়ার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয়। এর আগে নির্ঘাত কোনো না কোনো কাগজে বা সাময়িকপত্রে তার চমৎকার সব ছড়া পড়ে থাকবো।…
Friday, September 23, 2011
নাদিম কাদিরের স্মৃতিকথা: ১৯৭১

স্বাধীনতার ৪০ বছর পর মুক্তিযুদ্ধে শহীদ লেফটেনেন্ট কর্নেল আব্দুল কাদিরের প্রতীকী দেহাবশেষ গণকবর থেকে উত্তোলন করে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হলো।
শহীদ সন্তান, বিশিষ্ট সাংবাদিক নাদিম কাদির একান্ত আলাপচারিতায় এই লেখককে বলেন, অনেক দেরীতে হলেও মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী আমার পিতার প্রতি দেশ যথাযথ সন্মান জানালো। দীর্ঘ ৩০ বছর অনুসন্ধান চালিয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে, যেখানে পাকিস্তানী সেনারা আমার বাবাসহ ১৮ জন মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করেছে, সেই বধ্যভূমিটি আবিস্কার করি। কিন্তু সরকারের কাছে বহু ধর্ণা দিয়েও এতোদিন বধ্যভূমিটি খনন করে শহীদদের দেহাবশেষ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সেখানে চার তলা বাড়ি গড়ে ওঠায় বাড়ির মালিকের সদিচ্ছার অভাব ও সরকারের উদ্যোগহীনতায় সেখানে একটি নামফলক পর্যন্ত লাগানো যায়নি। …
Monday, September 12, 2011
Friday, August 26, 2011
ফুলবাড়ি- লাল সেলাম!
দিনাজপুর প্রতিনিধি খবর দেওয়ার আগেই ফুলবাড়ি গণবিদ্রোহে গুলি চালানোর প্রথম খবর পাওয়া হয় আন্দোলনের বন্ধুদের কাছ থেকে। তারাই ঘটনাস্থল থেকে জানান, তখনো গুলি আর টিয়ার শেল বর্ষণ চলছে। খবরটি নিশ্চিত করার জন্য সঙ্গে সঙ্গে দিনাজপুরে পরিচিত সাংবাদিকদের টেলিফোন করা হয়।
Wednesday, August 24, 2011
বগালেক
দূর্গম পাহাড়ে ডিসেম্বরের ভোরে হীম বাতাসের কামড় ছাপিয়ে প্রধান হয়ে ওঠে দৃষ্টি আচ্ছন্ন করা কুয়াশা নয়, নারকেল দুধের মতো ঘন সাদাটে ধোঁয়াশা। শীতলতায় হাত-পা অবশ হয়ে আসতে চায়, ঘোলাটে চশমার কাঁচ বাস্পাচ্ছন্ন হয়ে আসে, তখন হাত তিনেক দূরের দৃষ্টিও বুঝি অসাড়। কুয়াশা জমে জমে বৃষ্টির মতো টুপটাপ ঝরে পড়ে জলকনা অরণ্য সবুজের মগডাল থেকে। ভিজিয়ে দেয় পোষাক-আশাক,ব্যাগ-ব্যাগেজ,সর্বোস্ব। দূরে রাতজাগা কোনো পাখি কর্কশ স্বরে ডেকে বলে, হুঁশিয়ার!
Friday, August 19, 2011
আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে?
যতবারই দূর পাহাড়ে যাওয়া হয়, আদিবাসী পাহাড়ি জনপদের আনন্দ-হাসি-গান, দুঃখ-বেদনা, সীমাহীন নিপীড়ন ও সংগ্রামের ভেতরের অন্তর্দশন এবং তথ্য সাংবাদিকতার বাইরেও খতিয়ে দেখার চেষ্টা করা হয় পাহাড়ি শিশুদের মনছবি।
গণহত্যা, যুদ্ধ, শান্তি, ভাতৃঘাতি সন্ত্রাস, সেনা-সেটেলার সহিংস আক্রমণ, এমন কী হালের আদিবাসী বিতর্ক-- এমন রক্তাক্ত-ক্ষতবিক্ষত পাহাড়ে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বেড়ে ওঠা পাহাড়ি শিশু মনের প্রতিক্রিয়া কী, তা বুঝতে চেষ্টা করা হয়। জাতিগত নিস্পেষন ও হিংসার দাবনল দেখতে দেখতে এই সব শিশুও কি আগামী দিনে হিংসার আগুন বুকে নিয়েই বড় হচ্ছে? তারাও কি একদিন ফিরিয়ে দেবে পাল্টা প্রতিটি আঘাত?
Subscribe to:
Posts (Atom)

