Wednesday, October 23, 2013

অদিতি ফাল্গুনির বাম-বিকার-০১


প্রখ্যাত লেখিকা অদিতি ফাল্গুনি দেশের প্রগতিশীল বামপন্থী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছেন। আন্তর্জালের নানা নোটে তিনি একের পর এক বয়ান করে চলেছেন নানা কু-তর্ক, যেটি স্পষ্টতই এখন তার বিকারে পরিনত হয়েছে। জগতে [এমনকি জগতের বাইরেও] নানান কিসিমের বিষয় থাকলেও একজন কথা-সাহিত্যিক হঠাৎ করেই দেশের আপাত ক্ষমতাহীন বাম দলগুলো নিয়ে কেন মাথা ঘামাচ্ছেন? এতে সাহিত্যের কি এমন উপকার হচ্ছে? কেনোই বা সাইবার স্পেসের এই বিস্তর অপচয়?

লক্ষনীয়, বাম শক্তিগুলো ক্ষমতাহীন, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা অক্ষম। তাই লেখিকার টার্গেট গ্রুপ আপাত ছোট বাম দলগুলো। আরো নির্দিষ্ট করে তার বললে বলতে হয়, তার উপলক্ষ্য গণসংহতি আন্দোলন, কিন্তু লক্ষ্য এদেশের তাবৎ বাম শক্তি ।

নিখাঁদ সাহিত্য চর্চা বাদ দিয়ে অদিতি-বিকারের সূত্রপাত যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শাহবাগ গণবিষ্ফোরণের কালে, যেটি তার ভাষায় ‘উন্মাদিনীর কাল’। তিনি এই শিরোনামে সে সময় শীর্ষ বাংলা দৈনিক প্রথমালোর ঈদ সংখ্যায় গল্প ফেঁদে বসেন। কিন্তু হাসনাত আব্দুল হাইয়ের ‘ক্যামেরার সামনের মেয়েটি’ গল্প একই সংখ্যায় তোপের মুখে পড়লে আমাদের আলোচ্য অনলাইন কাম অফলাইন লেখক অদিতি সে সময় অনেকটাই পার পেয়ে যান। তবু এ নিয়ে অল্প-বিস্তর কিছু সমালোচনাও হয়।

অদিতি সব সমালোচনা বিনয়ের সঙ্গে মাথা পেতে না নিয়ে, দোষ-ত্রুটি ও পাঠক মনোভাব বোঝার চেষ্টা না করেই হাস্যকরভাবে তার বিকারপনা জাহির করেন, ‘শাহবাগে সে সময় সত্যি সত্যি একজন পাগলী ছিল, সে এখনো আছে, যে নানা শ্লোগান দেয়, অনেকেই তাকে দেখেছেন’ ইত্যাদি সব নাদান বোলচালে অনলাইনে সাফাইযুক্তি খাড়া করানোর চেষ্টা করেন।

স্মরণ করা ভালো, যখন শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ স্পষ্টতই মাঠে মারা গেছে, যেখানে বামপন্থী ছাত্র-জনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, মঞ্চটিকে দখল করার প্রয়াসে ইমরান+পিয়াল+জেবতিক+আইজু+ইফতিখার তথা ডিজিটাল রক্ষীবাহিনী কোং অনলাইনে এবং অফলাইনে নানা ইতরপনা করে চলেছে এবং জামাত-হেফাজতিদের নিজ হেফাজতে নেওয়ার খায়েশে সরকার বাহাদুর আসিফ, রাসেল, বিপ্লব ও শুভ নামের চারজন ‘নাস্তিক’ ব্লগারকে কারারুদ্ধ করেছে, ঠিক তখন আলোচ্য অদিতি জনতার বিপরীতে ‘উন্মাদিনী কাল’ নিয়ে সুপ্ত ফনায় ফোঁস করেন। অদিতি ফাল্গুনি যেন ডিজিটাল রক্ষী বাহিনীরই সুশীলতর রূপ।

এ কারণে তথাকথিত “উন্মাদিনী কাল” এর পক্ষে সাফাই যুক্তি তুলে ধরে অদিতি বলেন,


শাহবাগে গেল ঐ পাগলীকে আজো পাওয়া যাবে যে গণজাগরণ মঞ্চের শ্লোগানগুলো দিত। তাহলে ত’ শাহবাগে শ্লোগান দেওয়া রিক্সাঅলাকে নিয়ে কেউ গল্প লিখলে সেটা নির্ঘাৎ ইমরান এইচ সরকারকে বিদ্রুপ করা হবে! যেমন এক পাগলীর চরিত্র আঁকায় আমার চিরতরে পাপমূর্তি প্রতিষ্ঠিত হলো যে আমি শ্লোগান কন্যাদেরই পাপিষ্ঠ বলেছি। হে সুপবিত্র মধ্যবিত্ত, তোমার নাম ‘বিপ্লব’ হলেও পাগলী বা রিক্সাঅলা সাহিত্যে শ্লোগান দিলে সেটা ত’ মধ্যবিত্ত ‘লাকি আখতার’ বা ‘ইমরান এইচ সরকার’কেই বিদ্রুপ করা হয়!
[পড়ুন: "উন্মাদিনী কাল" - লিংক]

এর একটি চমৎকার জবাব অনেক আগেই সহ সাংবাদিক ও লেখক প্রভাষ আমিন দিয়েছেন। প্রথমালোর সাবেক প্রধান প্রতিবেদক প্রভাষ বলেন,
সবাই হাসনাত আবদুল হাই নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলে পার পেয়ে গেছেন অদিতি ফাল্গুনী। একই সংখ্যায় ‘উন্মাদিনী কাল’ নামে তারও একটি গদ্য ছাপা হয়েছে। সেটিকেও ছোটগল্প বলে দাবি করা হয়েছে। আমি জানি না এই সময়ে ছোট গল্পের সংজ্ঞা বদলে গেছে কিনা। যেকোনো হিজিবিজি লেখা লিখে ওপরে পরিচিত লেখকের নাম দিয়ে দিলেই কী তা গল্প হয়ে যায়?


তবে এই ক্ষেত্রেও আমার ভুল হতে পারে। বিখ্যাত সাহিত্যিক কমলকুমার মজুমদার এবং তার ভাবশিষ্য আমার বন্ধু রোকন রহমান- এই দুজনের গদ্যই আমার মাথায় ঢোকে না, মাথার অনেক ওপর দিয়ে যায়। হয়ত অদিতি ফাল্গুনীর গল্পটিও তেমন উচ্চমার্গের, আমার মাথার ওপর দিয়ে গেছে। নয়তো অতি নিম্নমার্গের, প্রথম আলো কেন- বাংলাদেশের কোনো পত্রিকাতেই এটি ছাপা হওয়ার যোগ্য নয়। আমার পক্ষপাত নিম্নমার্গের দিকে। যদি উচ্চমার্গেরও হয়, তাও তা প্রথম আলোতে ছাপা ঠিক হয়নি। প্রথম আলো তো আমাদের মতো আমপাঠকের জন্য, এটি তো শাহবাগ থেকে প্রকাশিত লিটল ম্যাগাজিন নয়। আমপাঠক বুঝবে না, এমন একটি গল্প প্রথম আলোর মতো বহুল প্রচারিত দৈনিক ছাপবে কেন? সমস্যা কিন্তু গদ্য দুটির সাহিত্য মূল্য নিয়ে নয়। সমস্যা হলো উদ্দেশ্যে। একই সংখ্যার দুটি গল্পে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের চেতনায় আঘাত করা হয়েছে, অপমান করা হয়েছে, হেয় করা হয়েছে। হাসনাত আবদুল হাই নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠার পর তার গল্প নামের নোংরা গদ্যটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। আর প্রথম আলো নামকাওয়াস্তে ক্ষমা চেয়ে পার পেয়ে গেছে। কিন্তু চোখের আড়ালে থাকা অদিতির নোংরাতম গদ্যটি রয়েই গেছে। তার মানে সেটি প্রথম আলোর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যায়। তার মানে পরিষ্কার সম্পাদকীয় নীতি-টিতি কিছু না, প্রথম আলো শক্তের ভক্ত। চাপে পড়েই হাসনাত আবদুল হাইয়ের গদ্যটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঠিকমতো চাপ দিতে পারলে অদিতিরটাও প্রত্যাহার করা হতো। শাহবাগের আন্দোলনকারীরা নিছক ‘গান্ধিবাদী’ বলে সে যাত্রায় বেঁচে গেছে প্রথম আলো। নইলে একই সংখ্যায় একটি চেতনাকে আঘাত করে দুটি গদ্য ছাপা কাকতালীয় তো নয়ই, অসাবধানতাও হতে পারে না।
...প্রিয় পাঠক, একটু খেয়াল করে দেখেন প্রথম আলোর এই জরিপ পরিচালিত হয়েছে ৯-২০ এপ্রিল আর হাসনাত আবদুল হাই ও অদিতি ফাল্গুনীর গল্প ছাপা হয়েছে ১৪ এপ্রিল। তার মানে জরিপ আর নববর্ষ সংখ্যা- দুটির পরিকল্পনা হয়েছে একই সময়ে। হয়ত এক টেবিল থেকে, হয়ত এক মাথা থেকে। টার্গেট খুব পরিষ্কার- শাহবাগের চেতনাকে ধ্বংস করে দাও।
[পড়ুন: "জামায়াতের রক্ষাকবচ প্রথম আলো!"- লিংক ]

১৯২০ সালে নিখিল ভারত কমিউনিস্ট পার্টি গঠনের পর ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রাম, তথা ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র ও নিরস্ত্র আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলন, নাচোলের কৃষক বিদ্রোহ, নানকার বিদ্রোহসহ অসংখ্য কৃষক আন্দোলনে দুই বাংলার বামপন্থীরা খুব সাহসের সঙ্গে লড়াই করেছেন, জীবন দিয়েছেন, জেল খেটেছেন, ব্রিটিশ ও পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠির সব ধরণের দমন-পীড়ন সহ্য করেছেন।

ছয়ের দশকের চীনের মহা বিতর্ক সারা বিশ্বের বাম দলগুলোতে ভাঙন ঘটালে দুই বাংলার কমিউনিস্ট পার্টিতেও মতাদর্শিক বিতর্কে ভাঙণ ধরে। চীনা ও মস্কোপন্থী বামরা নানা তাত্বিক বিতর্ক এবং আত্নকহল সত্বেও ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বাম শক্তির একটি উল্লেখ যোগ্য অংশ সরাসরি অংশ নেয়, পাকিস্তান সেনা বাহিনীর সঙ্গে অসংখ্য সম্মুখ সমরে বীরোচিত লড়াই করে। কিন্তু চীনাপন্থী বামদের সশস্ত্র বিপ্লবপন্থার আত্নঘাতিমূলক হঠকারিতা এবং নানা উপদলীয় কোন্দলে সাতের দশকে বাম শক্তিগুলো ক্রমেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে থাকে। অপরপক্ষ মস্কোপন্থী বামশক্তিও আওয়ামী লীগের সঙ্গে গাঁটছড়া বাধায় ক্রমেই আওয়ামী ধনিক শ্রেণীতে বিলীন হতে থাকে।

স্বাধীনতার পর দীর্ঘ বিভ্রান্তি,  জনবিচ্ছিন্ন সশস্ত্রপন্থার আত্নঘাতিতা এবং আপোষকামীতার পরেও নতুন করে বাম শক্তিগুলো নতুন সাংগঠনিক কাঠামো এবং আদর্শগতভিত্তির ওপর দাঁড়াতে শুরু করে। জেনারেল এরশাদ সরকার বিরোধী ছাত্র-গণঅভ্যূত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণ আন্দোলনে নতুন নেতৃত্বে বামপন্থীরা সীমিত জনবল নিয়েই খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই মধ্যে নতুন প্রজন্মের বামপন্থীরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে আবার জনগণের ভেতর থেকে শক্তি সঞ্চয় করছেন। কোনভাবেই তাদের আত্নত্যাগকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দেশপ্রেমকে তো নয়ই। বরং এর বিপরীত দৃষ্টিভঙ্গি কাণ্ডজ্ঞান [তাবৎ জ্ঞানের আদি জ্ঞান] এবং আহাম্মকিপনার সঙ্গে সম্পর্কিত।

বামপন্থীদের এই নয়া উত্থানের সফল রূপটি দেখা গেছে, ফুলবাড়ি কয়লাখনি বিরোধী গণআন্দোলনে, যেখানে ছাত্র-কৃষক-শ্রমিক-জনতা জীবন দিয়ে রুখে দিয়েছেন প্রবল পরাক্রমশালী তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় এশিয়ান এনার্জিকে। পরে বিএনপি সরকারের আমলে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের নেতৃত্বাধীন একই “তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি”র ব্যানারে সব বাম দলগুলো সফলভাবে অন্তত ছয়টি পরিবেশ রক্ষা, তথা দেশের স্বার্থ রক্ষার আন্দোলন করেছে।

বামপন্থীরা শ্রমিক শ্রেণীর সঙ্গে সম্পর্কিত হয়েই তারা তৈরি পোষাক শ্রমিকদের মৌলিক মানবিক অধিকার আদায়ে আন্দোলন করে চলেছে। গণসংহতি আন্দোলনসহ অপরাপর বাম দল ও জোট তাজরীন ফ্যাশনে আগুন বা রানা প্লাজা ধ্বসের সময়ও শ্রমিক অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সবশেষ জাতীয় কমিটি সব ধরণের রক্তচক্ষু ও মিথ্যে প্রচারণা উপেক্ষা করে রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্র বিরোধী, তথা সুন্দরবন ও উপকূলবাসী রক্ষায় খুব সফল ভাবে হাজার হাজার ছাত্র-জনতাসহ ঢাকা-রামপাল লং মার্চ করেছে। এর আগে শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চে তাদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা তো ছিলই।

আসন্ন নির্বাচনী হিসাব-কিতাব মাথায় রেখে ডিজিটাল রক্ষী বাহিনীর এ পর্যায়ে দরকার পরে বিএনপি-জামাত-হেফাজত বিরোধী প্রচারণার পাশাপাশি নয়া বাম শক্তিকে পরাস্থ করারা। ডিজিটাল রক্ষী বাহিনী কোং ইমরান+পিয়াল+জেবতিক+আইজু+ইফতিখার প্রমুখ কমান্ডারের পাশাপাশি কলম খুলে তাই মাঠে নামেন আরেক সুশীল ডিজিটাল রক্ষী বাহিনী কলম সৈনিক অদিতি ফাল্গুনি।

তবে রাজনৈতিক আত্নত্যাগ বা পড়াশুনা কোনটিই না থাকায় ব্যক্তিগত আক্রমণ, গিবতই তার ভরসা। তাই তিনি রাজনৈতিক কাজের রাজনৈতিক সমালোচনার বাদ দিয়ে গত মে মাসে মতিঝিলে হেফাজতি উত্থানেরকালে ঢাকারিপোর্ট২৪ নামের একটি নিউজ পোর্টালে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়দ সাকি এবং তাদের ছাত্র ফেডারেশনের কর্মীদের ব্যক্তি কুৎসা রচনায় নামেন। 

"আয়োডিন লবণের অভাবজনিত খর্বতা ও বাংলাদেশে বাম আন্দোলনের জলাবদ্ধতা" শীর্ষক লেখায় জোনায়েদ সাকির উচ্চতা নিয়ে ব্যঙ্গ করেন, দুর্বল বাম শক্তির কারণ হিসেবে আয়োডিনের অভাবকে সনাক্ত করেন। তার লেখাটি পড়ে মনে হয়, তিনি ছাত্র ফেডারেশনের কাজকর্মে বেশ বিরক্ত। রাজনৈতিক দ্বিমত বা সম্পূর্ণ বিপরীত মত থাকতেই পারে, কিন্তু অদিতি শেষ পর্যন্ত তার সাম্প্রদায়িক লেজটি লুকাতে পারেন না। বলে বসেন, 

তবু আমার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণেই কি আমি কোনদিন তাদের ‘বিশ্বাস ভাজন’ হইনি? ‘ভারত’ ও ‘হিন্দু’ শব্দ দু’টোর প্রতি তাদের প্রবল এলার্জি আছে।
একই লেখায় অদিতি বলেন, 

তাই বলে আমি ফেডারেশন কখনো করিনি। যেমন করিনি ছাত্র ইউনিয়ন আমার পারিবারিক ঐতিহ্য সত্ত্বেও। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত সিপিবি-ওয়ার্কার্স পার্টি-জাসদ-বাসদ ব্যর্থ হয়ে এই মুষ্টিমেয় তরুণেরাই কি পুঁজিবাদের কালো শেকল ছিঁড়ে বিপ্লবের রাঙা ভোর আনবে এমন কৌতূহলে আমি তাদের দলে নিবন্ধিত না হয়েই তাদের নানা কর্মসূচীতে অংশ নেওয়া শুরু করি।বছর দুই না যেতেই আমার একটু হতাশা জন্মাতে শুরু করে।
[লিংক] 


বাহবা শাবাশ! রাজনৈতিক সংগঠন করবেন না, দু-একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়েই বা সংগঠন অফিসে যাতায়ত করেই "হিন্দু" ও "ভারত" প্রেমী অদিতি "বিশ্বাস ভাজন" হতে চাইবেন, এ যেন গাছে না উঠতেই এক কাদিঁ! ধর্মের  
এ হেন আয়োডাইক্স কাম সাহিত্যিক ব্যবহার দেখে বিবমিষা হয়। একটিমাত্র কথাই বলতে ইচ্ছে করছে: জায় হিন্দ! [খুব থেয়াল করে]। 

[ক্রমশ..]