Tuesday, October 22, 2019

পাহাড়ে বিপন্ন জনপদ [দ্বিতীয় সংস্করণ]



সাংবাদিক ও লেখক বিপ্লব রহমানের বই ‘পাহাড়ে বিপন্ন জনপদ‘ [সাংবাদিকের জবানবন্দীতে পার্বত্য চট্টগ্রামের অকথিত অধ্যায়] বইটি ‘সংহতি প্রকাশন‘ প্রথম বেরিয়েছিল ২০১৫ সালে অমর একুশে গ্রন্থমেলায়।

পাঠকের ভালবাসায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে এর সমস্ত কপি ফুরিয়ে যায়। বেশকিছুটা বিরতি দিয়ে ‘সংহতি প্রকাশন! থেকে আগের মতোই পেপার ব্যাকে ঝকঝকে ছাপায় শিগগিরই বেরুচ্ছে বর্ধিত কলেবরে এর দ্বিতীয় সংস্করণ।

দ্বিতীয় সংস্করণে যোগ করা হয়েছে ছয়টি নতুন লেখা। পুনর্লিখন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি। এছাড়া পুরো বইয়ের সব তথ্য যতটুকু সম্ভব হালনাগাদ করা হয়েছে।   

অমর একুশে গ্রন্থমেলা, ২০২০ এ ‘সংহতি‘র স্টলে পাওয়া যাবে বইটি। এছাড়া পাঠকরা কাঁটাবনে ‘সংহতি প্রকাশন’ এর শো-রুম থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন। আগ্রহীরা যোগাযোগ করতে পারেন ‘সংহতি প্রকাশন’ এর কার্যালয়ে: ৩০৫, রোজ ভিউ প্লাজা, ৩য় তলা, ১৮৫, বীরউত্তম সি আর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ধানমণ্ডি, ১২০৫ ঢাকা। ফোন: ০১৭১৮ ২৯২ ৬৮০।


এছাড়া অনলাইন শপ থেকে কুরিয়ার খরচসহ দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে কেনা যাবে।

প্রিয় পাঠক, আগামীতেও পাশে থাকার জন্য সবিনয় অনুরোধ।  
শুভেচ্ছা সকলকে।

--------------------
 ‘পাহাড়ে বিপন্ন জনপদ‘ এর প্রথম সংস্কনে  বই সর্ম্পকে ‘সংহতি প্রকাশন‘ তাদের ফেসবুক পেজে বলেছে,

“কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প'' তথা উন্নয়নের নামে পাহাড়ের আদিবাসীদের জমি দখলের সূচনা হয় ১৯৫৭ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী দ্বারা। যার ফলশ্রুতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রায় ৫৪ হাজার একর চাষযোগ্য জমি জলমগ্ন হয়, উদ্বাস্তু হন লক্ষাধিক মানুষ। তখন থেকেই শোনা যায় সবুজ পাহাড়ের বুকজুড়ে আদিবাসীদের দীর্ঘশ্বাস।

“এরপর সময়ের সাথে সাথে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে যত জল গড়িয়েছে, তার সঙ্গে ব্যাস্তানুপাতিক হারে বেড়ে চলেছে পাহাড়ি আদিবাসীদের কান্নার ইতিহাস।

‘‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে শাসক বদলেছে কিন্তু অপরিবর্তিত রয়ে গেছে পাহাড়িদের প্রতি রাষ্ট্রীয় নীতি, যদিও মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসীদের বড় অংশই সমতলের বাঙালিদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ স্বাধীন করায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছিলেন।

মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে একটি পার্বত্য প্রতিনিধি দল দেশের প্রতিষ্ঠাতা নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আলোচনা করতে যান এবং শেখ মুজিব পার্বত্য জাতিগোষ্ঠীর বাঙালি পরিচয় গ্রহণের উপর জোড় দেন।”

“এছাড়াও জানা যায়, শেখ মুজিব স্থানীয়দের দ্বারা বিদ্রোহ হওয়ার আশংঙ্কায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি বসতি স্থাপন করে স্থানীয়দের সংখ্যা হ্রাস করতে চেয়েছিলেন।

চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীরা অধিকার আদায়ের জন্য দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণ আলোচনা চালিয়ে সফল না হয়ে এক পর্যায়ে বাধ্য হয়েই ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ''পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি-(পিসিজেএসএস)''-এর নেতৃত্বে ১৯৭৫ সাল থেকে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করেন।”

“সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করলেও মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা (এম এন লারমা) শান্তিপূর্ণ পথে সমাধানের জন্য সবসময়ই সরকারগুলোর সাথে আলোচনার পথ খোলা রাখেন। যার ফলশ্রুতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের প্রতিনিধি জনসংহতি সমিতির সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দের ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে।”

“এরপর শর্ত মোতাবেক শান্তি বাহিনী অস্ত্র সমর্পণ করলেও গত দেড় যুগেও বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে চুক্তির কোন ধারাই আদতে বাস্তবায়িত হয়নি।

সরকার-সেনাবাহিনী-সেটেলারদের ক্রমাগত আগ্রাসনে দিন দিন বিপন্ন থেকে বিপন্নতর হচ্ছে আদিবাসীদের অস্তিত্ব।”

“১৯৫৭ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পাহাড়ি আদিবাসীদের উপর বয়ে যাওয়া শোষণ ও তাঁদের সংগ্রামের ইতিহাস নিয়েই প্রায় দুই দশক ধরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে প্রতিবেদন করার অভিজ্ঞতালব্ধ সাংবাদিক বিপ্লব রহমানের বই ''পাহাড়ে বিপন্ন জনপদ''।

Author: বিপ্লব রহমান Biplob Rahman
Publisher: সংহতি Samhati publications
Cover designer: সব্যসাচী হাজরা Sabyasachi Hazra
Subject: জাতিসত্তা
First edition: ফেব্রুয়ারি, ২০১৫; সংহতি
Book size: ৫.৭৫" x ৮.৭৫"
No. of Pages: ১৮৪
Price: Paperback: ২৪০.০০ টাকা, প্রথম সংস্করণ
ISBN: 978 984 8882 84 9

No comments:

Post a Comment