Monday, June 16, 2008

একটি নিউজ স্ক্রিপ্টের খসড়া...

রেইন-প্যাকেজ-অমুক
বর্ষার কদম ফুল ফোটার দিন শুরু হলো অবশেষে। আর তাই প্রকৃতিতে যেনো লেগেছে সাজ সাজ রব। এমনি দিনে অনেকে ফিরে যান ছেলেবেলার বাদলা দিনে। ক্যামেরায় রমেশ চৌধুরিকে সাথে নিয়ে, স্মৃতি জাগানিয়া এ সব অনুভূতির কথা জানাচ্ছেন ....।
[ব্যাকগ্রাউন্ড সং: আষাঢ়-শ্রাবণ, মানে না তো মন, ঝরঝর ঝরঝর ঝরছে...ইত্যাদি। ফুটেজ-গাছের পাতায়, রঙ্গণ ফুলের থোকায় আছড়ে পড়ছে ঝুম বৃষ্টি। বর্ষনে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে জলযট, যানজট। রিকশওয়ালা, ভ্যানওয়ালা ভিজে ভিজে যানটি ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।]

ভয়েস ওভার:
আষাঢ় মানেই কদম ফুল, ছোটবেলায় বৃষ্টিতে ভেজার মধুর স্মৃতি। এই বর্ষায় নাগরিক কোলাহলের ভেতরেও অনেকে খুঁজে বেড়ান দূরন্ত শৈশব। কখনো কাদাজলের ভেতর ফুটবল খেলা, আবার কখনো ভিজে ভিজে স্কুলে যাওয়ার আনন্দ।

ভক্সপপ-০১:
[ছোট বেলায় বৃষ্টি হলেই স্কুলের মাঠে পানি জমে যেতো। কাগজের নৌকা বানিয়ে সেই পানিতে ভাসানোর মজাই ছিলো আলাদা। এখনকার ছেলেমেয়েরা এসব কল্পনাও করতে পারে না।]
ভক্সপপ-০২:
[বৃষ্টি মানেই স্কুল ছুটি; ছুটির পরেও কাদাপানিতে মাখামাখি করে ফুটবল খেলা!]
মেঘ মেদুর বৃষ্টির কথায় ফেলে আসা দিনগুলোকে হাতড়ে বেড়ান অনেকে এভাবে--
ভক্সপপ-০৩:
[বৃষ্টির সন্ধ্যায় টর্চ আর ছাতা নিয়ে গ্রামের ছেলেমেয়েরা ঝাঁকি-জাল নিয়ে কৈ, শিংগি, মাগুর, খলসে মাছ ধরতে ছুটতাম। কি চমৎকার ছিলো সেই সব দিন!]
আবার কারো কাছে বৃষ্টি মানেই নোংরা জল, কাজে বেরুনোর নানান ঝক্কি।
ভক্সপপ-০৪:
[বৃষ্টি-টৃষ্টি একেবারেই ভালো লাগে না; বর্ষাকালটাই খুব বিশ্রী। রাস্তাঘাট সবই ড্রেনের পানিতে সয়লাব। কাজে বেরুবো, বাচ্চাদের স্কুলে দিতে হবে, কিন্তু বাস-ট্যাক্সি-রিকশা, কিছুই পাওা যায় না। আর পেলেও তারা এমন ভাড়া চায় যে...]
তবে এই বর্ষা, আর ফেলে আসা সেই বর্ষা দিনের সাথে রয়েছে বিস্তর ফাঁরাক। পাষানপুরীতে বৃষ্টি দেখার ইচ্ছেগুলোও যেন ফেরারী হয়ে যায়।
ভক্সপপ-০৫:
[মাত্র ২০ বছর আগেও ঢাকায় অনেক খাল-বিল-পুকুর ছিলো। ছিলো অনেক দেশি ফল-মূলের গাছ। তখন এতো হাই রাইজও ছিলো না, বড়জোর চারতলা-ছয় তলা বাড়ি। জানালা দিয়ে, কি বারান্দায় বসে এক বাটি ঝালমুড়ি খেতে খেতে বৃষ্টি দেখার মজাই ছিলো আলাদা।]
পহেলা আষাঢ় তরুণ-তরুণীর জন্য প্রেমময় হলেও ঋতুর এই নবরূপ আবার খেটে খাওয়া মানুষের ভোগান্তি বাড়ায়।
পে-অফ
অমুক
তমুক-টিভি
ঢাকা।